• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

খুলনার আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁঝ

কারেন্ট বার্তা ডেক্স
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১ | ১২:০৪ am
                             
                                 

চারদিনের ব্যবধানে খুলনার বাজারে আবারও পেঁয়াজের মূল্য ৫ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। চালের দামও প্রতি কেজি পঞ্চাশ পয়সা থেকে এক টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। রসুনের দাম আগের মতো থাকলেও বেড়েছে আদার দাম। চলছে লকডাউন আর সামনে রয়েছে রমজান, সব মিলিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারমূল্য বেশ চড়া।

নগরীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে জানা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৬ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত চারদিন পূর্বে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

কাঁচা ও পাকা ফল আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হায়দার পাটোয়ারি জানান, গত দুদিন ধরে পেঁয়াজের বাজারে উত্তাপ দেখা দিয়েছে। তারা কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, ফরিদপুর ও কানাইপুরের বিভিন্ন মোকাম থেকে পেঁয়াজ ক্রয় করে বাজারের বিভিন্ন দোকানে সাপ্লাই দিয়ে থাকেন। বর্তমানে এসব মোকামগুলোতে পেঁয়াজের আমদানি কমে গেছে।

তিনি আরও জানান, কাঁচা বাজার সবসময় আমদানির ওপর নির্ভর করে। বাজারে পেঁয়াজের আমদানি খুব কম। সরবরাহ ঠিক হলেই বাজার মূল্য আগের পর্যায়ে চলে আসবে। খুলনায় প্রতিদিন যেখানে পাঁচ ট্রাক পেঁয়াজের প্রয়োজন হয় সেখানে দুই ট্রাক করে মাল আসছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার মূল্য আবারও জনগণের হাতের নাগালে চলে আসবে।

এদিকে, খুচরা বাজারে মানভেদে মিনিকেট চাল প্রতি কেজি সাড়ে ৫৭ টাকা থেকে ৫৮ টাকয় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ভারতীয় মিনিকেট ভালোমানের প্রতি কেজি ৫৩ টাকায়, দেশি-২৮ চাল ৪৯ টাকায়, ভারতীয়-২৮ চাল ৪৬ টাকায়, বালাম লোকাল ৫৪ টাকায়, স্বর্ণা ৪৩ টাকায়, বাসমতি ৬৮ টাকায় ও নাজিরশাইল চাল ৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

স্থলপথ গত কয়েকদিন চালের আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে চালের এ মূল্য বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বড় বাজারের কুন্ডু ট্রেডার্সের মালিক। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে বাজার দর ঠিক হয়ে যাবে।

চাল ব্যবসায়ী শংকর কুন্ডু জানান, বাজার এখন ভারতীয় চালের দখলে। বাজারে দেশি চাল নেই বললেই চলে। তারা যেখানে প্রতিদিন ৪০০ বস্তা চাল বিক্রি করতেন, এখন সেখানে ৫০ বস্তা চাল বিক্রি করা দায় হয়ে পড়েছে। সারাদিন চার থেকে পাঁচজন ক্রেতা আসেন চাল কিনতে। বাকি সময় বসে কাটিয়ে দিতে হয়।

নগরীর টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের ব্যবসায়ী শাহিন আলী জানান, চালের দাম খুব তাড়াতাড়ি পতন হবে। কারণ সামনে বৈশাখ মাস। নতুন ধানের সমাগম হলে বাজারে চালের দাম কমে যাবে।

এদিকে তেলের বাজারে নেই কোন সুখবর। কিছুতেই যেন উত্তাপ কমছে না। কোম্পানি ভেদে পাঁচ লিটারের প্রতিটি বোতল ৬৩০ থেকে ৬৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। তবে দু থেকে তিনদিনের মধ্যে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

অপরদিকে বাজরে দেশি আদার চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। দেশি আদা একেবারে নেই বললে চলে। যা পাওয়া যায় তাও ভারতীয়। ব্যবসায়ীরা ভারতীয় আদা দেশি বলে বিক্রি করছেন। আদার দাম মানভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে আদা ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কী কারণে আদার দাম বেড়েছে তার সঠিক উত্তর জানা নেই বাজারের ব্যবসায়ীদের।

খুচরা বাজারে মসুর ডালের দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে মশুর ডাল মানভেদে প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 7
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর