• বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিলেন শেখ হাসিনা লালপুরে প্রতীক বরাদ্দের পর জমে উঠেছে লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেয়ে খুশি মুক্তিযোদ্ধা রতন বিশ্বাস বোয়ালমারীতে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটায় ইটভাটাকে জরিমানা সুন্দরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার বোয়ালমারীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা আহত ১ শ্যামনগরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদ্যাপনে প্রস্ততি সভা গৌরীপুরে কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা সিংগাইর কলেজের ভিপি মিরু হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন গৌরীপুরে নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র সৈয়দ রফিককে সংবর্ধনা

মিসরে ৫ হাজার বছরের পুরনো বিয়ার কারখানা আবিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেক্স
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৩:১০ pm
                             
                                 

প্রাচীন মিসরের আবিদোস নগরে পাঁচ হাজার বছরের পুরনো একটি বিশাল বিয়ার কারখানা আবিষ্কার করেছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। দেশটির পর্যটন ও পুরাকীর্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর সিএনএনের।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কারখানাটি মিসরের সোহাগ প্রশাসনিক অঞ্চলে পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৩ হাজার ১০০ বছর খ্রিস্টপূর্বে কিং নারমারের সময়কার। এটি আবিদোসে পাওয়া সবচেয়ে পুরনো বিয়ার কারখানা বলেও জানায় মন্ত্রণালয়।

কারখানাটি আবিষ্কারকারী দল মিসর-আমেরিকান মিশনের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় সদস্য ড. ম্যাথিউ অ্যাডামস বলেন, মিসরের প্রথম দিককার রাজাদের রাজকীয়ভাবে সমাহিত করতে এই বিয়ার ব্যবহার করা হত বলে গবেষকরা মনে করছেন। এই অঞ্চলে এর আগে খননের সময় প্রমাণ পাওয়া গেছে, সেখানে বলিদান সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে বিয়ার ব্যবহার করা হত।

মিসরের পুরাকীর্তি বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল মোস্তাফা ওয়াজিরি বলেন, বিয়ার উৎপাদনের জন্য কারখানাটি আটটি ভাগে ভাগ করা ছিল। প্রতিটি ভাগে ৪০টি করে মাটির পাত্র ছিল যেখানে শস্য ও পানি গরম করা হত।

ড. ম্যাথিউ অ্যাডামস জানান, কারখানাটিতে এক সঙ্গে ২২ হাজার ৪শ লিটার বিয়ার উৎপাদন করা যেত।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে মিসরের পর্যটন শিল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে নতুন আবিষ্কৃত পুরাকীর্তি দেখাতে দেশটির কর্মকর্তারা মুখিয়ে আছেন যেন দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ানো যায়।

গত বছরের মার্চ মাসে মিসরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে প্রত্নতত্ত্বের জায়গা ও জাদুঘরগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়। জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু করা যায়নি। ২০১৯ সালে দেশটিতে এক কোটি ৩০ লাখ দর্শনার্থী ভ্রমণ করতে এসেছিল। মহামারির কারণে ২০২০ সালে এই সংখ্যা নেমে আসে ৩৫ লাখে। ২০২০ এর অর্থবছরে মিসরের পর্যটন ব্যয় ১ কোটি ৭৮ লাখ ডলার থেকে ২৭০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 4
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর