• রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
আজ নাগেশ্বরী হানাদার মুক্ত দিবস ছয় মাসে পৌঁছেছে চাঞ্চল্যকর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলায় রায়ের কপি জামালপুরে টিকিট কালোবাজারির কারাদন্ড রাস পূজায় অংশ নিতে দুবলার পথে তীর্থযাত্রী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, হচ্ছে না রাস মেলা অবশেষে শিশু সোহানা হত্যায় মায়ের দায় স্বীকার শেখ হাসিনার স্বপ্ন কেউ যেন নস্যাৎ করতে না পারে: যুবলীগ চেয়ারম্যান আলফাডাঙ্গায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ১ ইবি শাখা’র আলোর দিশা বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা স্বচ্ছতা গ্রুপের পক্ষ থেকে বেকার যুবককে চটপটি বিক্রির ভ্যানগাড়ি প্রদান লক্ষ্মীপুরে সেলাই মেশিন ও রিকশা বিতরণ

আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেরামত কাজে গাফলতি

মো: সকেল হোসেন, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০ | ৭:২৩ pm
                             
                                 

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংস্কার কাজ বন্ধ থাকায় শীতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভর্তি রোগী, ডাক্তার, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট সকলে কাজ সমাপ্ত করার কোন খবর নেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। ঠিকাদারের উদাসিনতায় চরম ভাবে বিপাকে পড়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ শয্যা আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন এই উপজেলাসহ পাশর্^বতী উপজেলা থেকে প্রায় ৪ শতাধিক রোগী চিকিৎসার জন্য আসেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহিঃবিভাগে। এদের মধ্যে অসংখ্য রোগীকে ভর্তি হতে হয়। অনেক সময় আসন সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে গেলে বারান্দার মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হয় রোগীদের ।
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনা ভাইরাসের সারা দেশ যখন আতংকিত, সে সময় পাবনা গোপালপুরের মেসার্স পাবনা সওদাগর এন্ড কোম্পানী এক কোটি সাত লক্ষ টাকা ব্যায়ে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দাসহ ভর্তি রোগীদের ৪টি ওয়ার্ডের সকল স্থানে ষ্টাইলস্, জানালা দরজা পূর্ণ স্থাপনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ শুরু করেন। কাজের শুরুতে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রোগীদের ওয়ার্ডসহ সকল অফিসের পূর্বের দরজা ব্যতিত সকল জানালা খুলে ফেলেন। খোলা স্থানে লোহার ফ্রেম বসালেও সেখানে আজ পর্যন্ত জানালার পাল্লা বা গ্লাস না বসিয়ে গত কোরবানি ঈদের সময় শ্রমিকরা ঈদ উৎসব পালন করতে বাড়িতে যান। কয়েক মাস পার হলেও আজও ঈদের আমেজ ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের শেষ না হওয়াই শীতে ভর্তি রোগীদের অনেকে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। স্বল্প রোগীদের সাথে অসহায়ের মতো হাসপাতালের নার্স, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ওয়ার্ডবয় বিপাকে পড়ে বাধ্য হচ্ছেন ঠান্ডার মধ্যে রোগীদের সেবা প্রদান করতে। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের উদাসিনতায় এ উপজেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অসহায় রোগীরা তাদের অবশিষ্ট কাপড় দিয়ে খোলা জানালা ঠেকে দিয়ে ঠান্ডা নিবারণের ব্যর্থ চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাধেশ্যাম আগরওয়ালা জানান, গত কোনবানী ঈদের সময় ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিয়োজিত সকল শ্রমিক বাড়িতে যান। আজ পর্যন্ত তাদের বা ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কেহ কাজ বিষয়ে খোজ খবর করতে আসেনি পর্যন্ত। এখন রাতে প্রচন্ড শীতে হাসপাতালের ২য় তলার ৪টি ওয়ার্ডে কোন রোগী থাকতে পারছেন না। রোগীরা যে রোগে ভর্তি হচ্ছেন তার সাথে অন্যান্য রোগ যোগ হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে লিখিত অভিযোগ করেও তাদের পক্ষ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টির সমাধান করতে জেলা সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর