• মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শিগগির বাংলাদেশে ‘কোভ্যাক্সিন’র ট্রায়াল চালাতে চায় ভারত সাতক্ষীরায় জুলাই মাসে করোনায় ১৫, উপসর্গে ২০৫ জনের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জ ছিনতাইকৃত মহিষ আক্কেলপুরে উদ্ধার রবিউল এবার পেল সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, সমাজসেবা থেকে পেল আর্থিক সহায়তা বোয়ালমারীতে জেলা পরিষদ বানিজ্যিক ভবনের কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সুন্দরগঞ্জে টিকা সম্প্রসারণে অবহিতকরণ সভা মাধবপুরে কঠোর নজরদারিতে এসিল্যান্ড অভিযানে ১৩টি মামলায় জরিমানা সেই পরিত্যক্ত ঘরেই মারা গেলেন জনপ্রিয় শিক্ষক যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বর্জ্য, হুমকির মুখে পরিবেশ বকশীগঞ্জে ৩৩৩ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার!

ধর্মপাশায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হয়রানি ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ

মোবারক হোসাইন, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৪ জুন ২০২১ | ৯:১০ pm
                             
                                 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু তালেবের বিরুদ্ধে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের লেঙ্গুর গ্রামের বাসিন্দা মহেন্দ্র দাস ( ৬০) নামের সংখ্যালঘু পরিবারের এক ব্যক্তিকে সরকারি খাস ভূমির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমির সীমানা নির্ধারণ করে না দেওয়ায় ওই ব্যক্তিকে হয়রানি ও তাঁর প্রতিপক্ষের লোকজনদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সুবিচার চেয়ে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে ডাক যোগে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের লেঙ্গুর গ্রামের বাসিন্দা সংখ্যালঘু মহেন্দ্র দাসের তাঁর নিজ বাড়িতে ১৮শতক রেকর্ডীয় জায়গা রয়েছে। তাঁর বাড়ির দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে প্রায় তিন একর পরিমান সরকারি খাস ভূমি রয়েছে। প্রতিবেশি জানু মিয়া (৪৮) ও মনু মিয়া (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে তাঁর রেকর্ডীয় জায়গা দখল করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। বছর খানেক আগে এই দুই ভাই মিলে মহেন্দ্র দাসের বাড়ির উত্তরপার্শ্বে চলাচলে রাস্তায় বাঁশের বেড়া চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে ওই ব্যক্তি মুক্তি পান।

মহেন্দ্র দাস আরও বলেন, আমার রেকর্ডীয় বসত ভূমি থেকে সরকারি খাস ভূমি চিহিৃত করে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা বলে গত এক বছরের মধ্যে অ্যাসিল্যাণ্ড আবু তালেব স্যার আমাকে বেশ কয়েকবার মৌখিকভাবে তারিখ দিয়ে ধর্মপাশায় নিয়েছেন। কিন্ত তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। উল্টো তাঁর কাছ থেকে আমি হয়রানি শিকার হওয়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এ এ ঘটনায় চারবার ইউএনও স্যারের মাধ্যমে লিখিত আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। প্রতিবেশী জানু মিয়া ও মনু মিয়া এলাকায় প্রভাবশালী ও বিত্তবান হওয়ায় তাঁদের কাছ থেকে এসিল্যান্ড স্যার আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করার তিনি সীমানা নির্ধারণের এই কাজটি করে দিচ্ছেন না। আমি সুবিচার চেয়ে ডিসি স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছি।জানু মিয়া ও মনু মিয়ার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আবু তালেব সাংবাদিকদের বলেন, মহেন্দ্র দাস ৭/৮ মাস আগে একটি ভূয়া নামজারি করার জন্য আমার কাছে এসেছিল। পরে সে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পেয়েছে। আমার অফিসের সার্ভেয়ার দেড়মাস ধরে অসুস্থ। তাছাড়া ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করার কোনো এখতিয়ার আমার নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মর্কতা ( ইউএনও) মো.মুনতাসির হাসান বলেন,ভূমির সীমানা নির্ধারণ করা নিয়ে ওই ব্যক্তি কোনো আবেদন করে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তা আমি এসিল্যান্ডের  কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো.জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,অভিযোগটি তিনি পেয়েছে।বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর