• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০১:২৯ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সরবরাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি ইসলামপুরে মাওলার ১৪৩০তম অভিষেক দিবস উদযাপন ৩ দিন পার হলেও প্রদীপ-লিয়াকতকে এখনো রিমান্ডে নেয়া যায়নি হাসপাতালে কোনও অনিয়ম অনুসন্ধান বন্ধ হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শরণখোলা সরকারী কলেজের অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম মামুন আর নেই দুলাল এমপি চত্ত্বর নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন সাঁথিয়ায় ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক-৩ জয়পুরহাটে ট্রেনে কাটা পরে প্রান হারালেন যুবক স্বাস্থ্য বিধি মানা না হলে সকল বাস ও কোচে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার নির্দেশ ডিসির লক্ষ্মীপুরে মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে মানববন্ধন

জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

পাইকগাছায় খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রি

পলাশ কর্মকার, পাইকগাছা (খুলনা)
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০ | ৭:৩০ pm
                             
                                 

পাইকগাছার কপিলমুনিতে রুগ্ন ও খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। তবে হরহামেশায় নয় প্রশাসনের চোখ এড়াতে মাঝে মধ্যে সুযোগ বুঝে এসব মাংস বিক্রি করছে ওই ধুরুন্ধর কসাই।
গত দেড় মাসের মধ্যে চার বার তিনি রুগ্ন ও খাওয়ার অনুপযুক্ত গরুর মাংস বিক্রি করে ক্রেতাদের ঠকিয়েছেন এমন তথ্য দিয়েছেন একাধিক বিশ্বস্থ্য সূত্র। আর এ কারনে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছেন কপিলমুনিবাসী।

কপিলমুনির পাশ্ববর্তী হরিদাশ কাটি গ্রামের কসাই সাত্তার ফকির ও তার পার্টনার একই গ্রামের বক্কার গাজী এমন গর্হিত কাজ করেই চলেছেন। সূত্র জানায় ভারতের সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরার কুশখালী, ও কইখালীর কাটাল থেকে (পশু মাংসের হাট) মোটর সাইকেল যোগে বস্তা ভর্তি করে গরুর মাংস আনে এরা। এরপর আঠারো মাইল গরুর মাংসের দোকান থেকে মাথা কিনে হাকডাক ও মাইকিং করে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে থাকে।

সূত্র জানায়, একদিন আগেই সাতক্ষীরার সীমান্ত ওই এলাকায় যেয়ে থাকে এরা। তারপর ওই এলাকার স্থানীয় কসাইয়ের সাথে চুক্তি করে রাত চার টার দিকে মাংস নিয়ে রওনা হয় এরা। এরপর রাত পোহাবার আগেই কপিলমুনি বাজারে তাদের মাংসের দোকানে এসব মাংস সাজিয়ে রেখে ভোর থেকে বিক্রি শুরু করে। দাম কম বলে খুব তাড়াতাড়ি এদের মাংস বিক্রি হয়ে যায়। সূত্র আরো জানায়, কুশখালী কিম্বা কইখালী থেকে এরা প্রতি কেজি ১৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় ক্রয় করে কপিলমুনিতে তারা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করে যা তদন্ত করলে এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

জানা যায় ৪ থেকে ৫ মন মাংসের চালান এরা নিয়ে আসে। কপিলমুনিতে সাধারণত গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়। যেহেতু প্রতি কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কম বলে ক্রেতা সাধারনরা এ মাংস কিনতে ভিড় জমায়। গত মাসের শেষের দিকে একটি রুগ্ন এড়ে গরু (গায়ে বসন্ত) জবাইয়ের জন্য বিধি অনুযায়ী কপিলমুনি বায়তুননূর পুলিশ ফাড়ি জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা সুলতান আহম্মেদকে ডেকে আনলে তিনি ওই গরু জবাই করতে অস্বীকৃতি জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় দুজন পুলিশ সেখানে গেলে তাদের সাথে রফা করে গরু জবাই করা হয়। সত্যতা জানতে চাইলে মাওঃ সুলতান বিষয়টা অকপটে স্বীকার করেন। তিনি জানান, স্থানীয় দুটি গরুর মাংসের দোকানের পশু আমার মাধ্যমে নিয়মিত জবাই করা হয়। কিন্তু কসাই সাত্তার আমার কাছে নিয়মিত পশু জবাই করেন না। কেন করেন না জানতে চাইলে তিনি জানান, বেশির ভাগ সময় সাত্তার কসাই বাহির থেকে মাংস আনেন বলে জবাই করা হয় না।
এ বিষয়ে উপজেলা সেনেটারী কর্মকর্তা উদয় মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সাত্তার কসাইয়ের এসব অনৈতিক কাজের খবর আমিও পেয়েছি। তার উপর কঠোর নজরদারী চলছে অপরাধ পেলেই তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
এদিকে স্থানীয় সুধি মহল বলছেন করোনার এই ভয়াবহতার মধ্যে এ ধরনের মাংস বিক্রি জনস্বাস্থ্য হুমকির মধ্যে পড়বে। এই কসাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে তারা মনে করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 20
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর