• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
সুনামগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাটে প্রতিবন্ধী ভাতার চেক আটক রেখে টাকা দাবীর অভিযোগ ইসলামপুরে গ্রামীন জনপদে শহরের ছোঁয়া সন্ধ্যা নামতেই মেঠপথ আলোকিত মাদারীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাড়া গেলেন পুলিশ সদস্য শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার আরো এক আসামী গ্রেফতার মনোহরদীতে দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন এড. হারুনুর রশিদ বকশীগঞ্জে মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার সামির ছাত্তারের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ ইসলামপুরে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ আলফাডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু সিরাজদিখানে লকডাউনে দোকান খোলায় ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

প্রধানমন্ত্রীর ঘর পচ্ছেন ১৪২ ভূমিহীন পরিবার

“বিল্ডিং ঘরে থাকমু এডেই বড় পাওয়া”

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ (জামালপুর)
প্রকাশ হয়েছে : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১ | ৩:৩৩ pm
                             
                                 

‘জীবনে কল্পনাও করি নাই , বিল্ডিং ঘরো থাহার সুযোগ পামু , শেখের বেটি হাসিনা এই আশা পুরা করছে, বিল্ডিং ঘরে থাকমু এডের চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হবো’ এভাবেই বলছিলেন ভূমিহীন ও গৃহহীন আবদুল আওয়াল। ষাটোর্ধ্ব আওয়াল ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের লাউচাপড়া ডুমুরতলা এলাকায় রাস্তার উপর একটি ঝুপড়িতে পরিবার পরিজন নিয়ে রাত কাটাতেন।
আওয়ালের ৫ সদস্যের পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন ও রাস্তার উপর থাকার খবর জানতে পেয়ে ছুটে যান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা।
আবদুল আওয়াল পরিবারের এমন দুরবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা।
সেই আওয়াল ও তার পরিবারের ঠাই হয়েছে লাউচাপড়া এলাকায় সরকারি ঘর গুলোতে। শুধু আউয়ালই নয় ১৪২ টি পরিবারের চিত্র একই। যারা দিন আনে দিন খায় , এমনকি ভাঙা ঘর, ঝুপড়িতে, অন্যের বাড়িতে থাকতেন তারাই এখন স্বপ্নের বাড়ি স্বপ্ন নীড়ে থাকার জায়গা পেয়েছেন। এসব ঘর পাওয়া ভূমিহীন পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানান, এটা আমাদের জন্য কল্পনার চেয়েও অনেক বড় পাওয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা ঘেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার হিসেবে খাস জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে সরকারি ঘর। এতে করে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন উপজেলার ১৪২ পরিবার।
উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় প্রতিনিয়ত কাজের মান তদারকি করেন ইউএনও নিজেই।
“আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” স্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন অর্থাৎ যাদের জমিও নেই ঘরও নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য এসব ঘর নির্মাণ করা হয়।
উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে ১৪২ টি পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে এই ঘরের সুবিধা পাবেন। ২ শতাংশ খাস জমিতে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট আধাপাকা ঘরের সাথে বারান্দা, রান্না ঘর ও সংযুক্ত টয়লেটসহ নির্মাণ কাজ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, ১৪২ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে যাছাই বাছাই করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় এসব ভূমিহীনদের জন্য খাস জমিতে ঘর নির্মাণ করা হয়। তিনি আরো জানান, আজ ২৩ জানুয়ারি শনিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘর গুলো উদ্বোধনের পর উপহার হিসেবে গৃহহীনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর