• সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ জাককানইবি’র সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গৌরীপুর পৌরসভায় নৌকাকে বিজয়ী করতে বিশাল পথসভা শ্যামনগরে আরাফাত রহমান কোকোর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান শ্যামনগর থানা পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামী আটক মির্জাপুরে আদর্শ যুব পরিষদ’র শীতবস্ত্র বিতরণ বাগেরহাটে মানবাধিকার কমিশনের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দুর্ধর্ষ সাইফুলের দু চোখ নষ্ট ও পা ভেঙে দিয়েছে শরণখোলার অতিষ্ট জনতা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঘাটাইল উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটির পরিচিতি ও শপথ অনুষ্ঠান শ্যামনগর নকিপুর সরকারি এইচসি হাই স্কুলে যেীন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটির সভা

শ্রমিক সংকট না থাকায় স্বস্তি

ইরি-বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকেরা

চম্পক কুমার, নওগাঁ
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১ | ৪:১৯ pm
                             
                                 

নওগাঁর রাণীনগরে চলছে ইরি-বোরো ধান রোপনের মৌসুম। প্রচন্ড শীত ও ঘনকুয়াশাকে উপক্ষো করে কাক ডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে উপজেলার বিল এলাকায় ইতিমধ্যেই ধান রোপনের কাজ প্রায় শেষের দিকে। তবে পর্যাপ্ত শ্রমিক থাকায় অনেকটাই স্বস্তিতে আছেন কৃষক ও গৃহস্থরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৯হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ধান রোপনের জন্য প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্যান্য উপজেলার চেয়ে শীত ও কুয়াশায় বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। কৃষকরা নিজেদের চাহিদা পূরন করে আশেপাশের অঞ্চলে বোরো ধানের চারা চালান করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত উপজেলায় ৩হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। চলতি মাসেই পুরো উপজেলায় ধান রোপন শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপজেলার বিল অধ্যুষিত এলাকা মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা গ্রামের কৃষক রনজিত সাহা, রকেট মৃধা বলেন, আমাদের জমিগুলো বিল এলাকায় হওয়ার কারণে সবার আগেই আমরা বোরো ধান রোপন করি। কারণ বর্ষা মৌসুমে আমাদের জমিতে পানি জমে যায়। তাই এই অঞ্চলের কৃষকরা আগাম ধান রোপন করে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শ্রমিক সংকট না থাকায় আমরা কৃষকরা অনেকটাই স্বস্তিতে আছি। এছাড়াও শ্রমিক খরচ অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটা কম। তাই বর্তমানে কৃষকরা বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ধানই এই অঞ্চলের প্রধান ফসল। তাই কৃষি অফিসের লোকজন সব সময় কৃষকদের জমি প্রস্তুতি থেকে শুরু করে আগাম পরামর্শ দিয়ে আসছে। আশা করছি চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বোরো ধান চাষ হবে। এছাড়াও আমরা কৃষকদের অধিক ফলনশীল ধান চাষের প্রতি উদ্ধুদ্ধ করে আসছি। তাই এবার কৃষকরা আগের চেয়ে বেশি পরিমাণ জমিতে অধিক ফলনশীল জাতের বোরো ধান করছেন। আশা করা হচ্ছে চলতি মাসেই উপজেলার পুরো মাঠেই ধান রোপনের কাজ শেষ হয়ে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 9
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর