• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
ঘাটাইলের দেওপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হেপলুর উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ মাগুরায় করোনা প্রতিরোধে এমপি শিখরের অনুদানে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ শ্যামনগরে দুই দিনে করোনা টিকার ২য় ডোজ গ্রহণ করলেন ২১০জন শ্যামনগরে মোবাইলকোটে প্রায় আটহাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান মাদারীপুরে মেজর ও মেরিন অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রতারনার সময় ৩জন আটক করোনায় মাদারীপুরের শিবচরে এক ব্যাক্তির মৃত্যু মণিরামপুরে করোনা নির্দেশনা না মানায় জরিমানা তাহিরপুরে বালু উত্তোলনে বাঁধা দেয়ায় বালু খেকোদের মারপিটে এক ব্যক্তি আহত ‘২০০ টাকার জন্য খুন করেছি’ ঘাতক বন্ধুর স্বীকারোক্তি সাতক্ষীরায় দিন-দুপুরে বন্ধুকে জবাই করে হত্যা

সূর্যমুখীতে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

প্রদীপ রায় জিতু, দিনাজপুর
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ ২০২১ | ৮:৪৬ pm
                             
                                 

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে সূর্যমুখীর চাষাবাদ শুরু হয়েছে। উপজেলায় ১০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখীর ফুল ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকে হলুদ রঙের অপরুপ দৃশ্য। সূর্যমুখীর বাম্পার ফলনে কৃষিতে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে কৃষকরা।
শতগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক বলেন, সূর্যমুখী একটি লাভজনক ফসল। অন্যান্য ফসলের চেয়ে চাষাবাদে খরচ ও সময় কম লাগে। জমিতে দুটি চাষ দিয়ে সূর্যমুখী রোপণ করা যায়। রোপণ থেকে কর্তন পর্যন্ত ২-৩ হাজার টাকা খরচ হয়। সূর্যমুখীর জমিতে দুইবার সেচ ও অল্প কিছু সার দিলেই হয়। একটু পরিচর্যা করলে বিঘা প্রতি ৭-৮ মণ ফলন উৎপাদন করা যায়।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সূর্যমুখী বীজ রোপণের ৫৫ দিন হতে ৬০ দিনের মধ্যে গাছে ফুল আসা শুরু করে। ফুল ঝরে বীজ সংগ্রহ করতে ১১০ দিন সময় লাগে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রতিদিনেই আশপাশের এলাকা থেকে সৌন্দর্য পিপাসুরা দল বেঁধে আসছেন সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখতে। বাগানগুলোতে বর্তমানে হলুদ রঙের ফুলের অপরুপ দৃশ্য চোখে দেখার মতো।
চাষিরা জানান, আগে জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতেন। এ বছর কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন। কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জানান, কম খরচে বেশি লাভের সুযোগ থাকায় অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। একটু পরিচর্যা নিলে প্রতি বিঘায় ১০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 3
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর