• সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
লকডাউনের নবম দিনে সাতক্ষীরায় পুলিশের কঠোর অবস্থান ২১ জুন লক্ষ্মীপুর-২ উপ-নির্বাচন: আওয়ামী লীগের বিরামহীন প্রচারণা প্যাঁচার অভয়াশ্রম সাগরদিঘি শাহজাদপুরে ডুবো রাস্তায় বদলে গেছে লাখো মানুষের জীবনমান লক্ষ্মীপুরে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মৃত্যু: স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা সুন্দরগঞ্জে ৬ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার শরণখোলায় ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি এসে চেক দিলেন জেলা প্রশাসক শত বছরের পুরনো রাস্তা বন্ধ করে অন্যের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ বাগেরহাটে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা (অনুর্ধ্ব-১৭) গোল্ডকাপ ফুডবল টুনামেন্টের উদ্বোধন মাগুরার শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত-৩

হিলিতে মাঠে মাঠে বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন

মো: কুদ্দুস আলী খান হিলি (দিনাজপুর)
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১ | ৪:০৪ am
                             
                                 

দেশের উত্তরাঞ্চলের খাদ্যশস্য খ্যাত দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার মাঠজুড়ে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। বাতাসে দোল খাচ্ছে বোরো ধানের সোনালী শীষ। এ দোলায় লুকিয়ে আছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন।

প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা কোন বিপর্যয় না ঘটলে কৃষকের বাড়ির আঙিনায় ভরে উঠবে সোনালী ধানের হাসিতে। বর্তমানে চলছে শেষ মূহুর্তের পরিচর্যা। আর মাত্র ৮/১০ দিনের মধ্যেই ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে কৃষক-কৃষাণী।

উপজেলার সাধুরিয়া গ্রামের আনিছুর রহমান জানান, আমি ৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলন পাব। এবং আমন ধানের দাম ভালো পেয়েছি। আশা করছি এবারও দাম ভালো পাব।

ছাতনী গ্রামের নুর আমিন জানান, এবার আবাদে তেমন কোন রোগবালই হয়নি। ধান পাকতে শুরু করেছে। ৫/৭ দিন পরেই ধান কাটা শুরু করব। তবে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও সময় মত কৃষি শ্রমিক পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বোরো চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৫শ’ ৩৩ হেক্টর জমি। সেখানে আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৩শ’ ৫৫ হেক্টর । যা লক্ষমাত্রার চেয়ে ৮শ” ২২ হেক্টর বেশী। এবং উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৩০ হাজার ২শ’ ৪৫ মেট্রিকট্রন। এ উপজেলায় ধান কাটা মাড়াইয়ের জন্য ৩ টি কম্বাইন হারভেষ্টার ও ৩০ রিপার মেশিন আছে।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ড. মোছা. মমতাজ সুলতানা জানান, ভালো ফলনের জন্য নিয়মিত ধান ক্ষেত দতারকি ও কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে উৎপাদ লক্ষ মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর