• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

সুনামগঞ্জে

ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া, হাওরাঞ্চল, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১ | ২:৩৫ pm
                             
                                 

 সুনামগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২দিন ব্যাপী গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রবিবার (১৪ই মার্চ) বিকাল ৪টায় থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের জগজীবনপুর গ্রামের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রতিযোগীতা।

অনুষ্ঠিত চুড়ান্ত প্রতিযোগীতায় জয় বাংলা নামের একটি ঘোড়াকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে ওয়ান ইলেভেন নামের একটি ঘোড়া। এরপর রাত ৭টায় বিজয়ী ঘোড়া ও তার মালিককে পুরস্কার দেওয়া হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মোট ১২২টি ঘোড়া এই দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে। তার মধ্যে দ্রুত গতিতে টানা ৩ চক্কর শেষে যে ব্যক্তি তার ঘোড়া নিয়ে এগিয়ে থাকে সেই ঘোড়াকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়ে থাকে এই প্রতিযোগীতায়। তবে দৌড় প্রতিযোগীতায় জয় বাংলা, ওয়ান ইলেভেন, ফাইটার, আর্মিসেনা, ক্রসফায়ার, সোনার পুতুল, হাসন রাজা, ফায়ার সার্ভিস, জয় মানিক, রুপসী বাংলা, মহিন রাজা, বাঘ বাচ্ছা, ইংল্যান্ড, দোয়েল পাখি, সিন্দাবাদ, খান বাহাদুর, সোনার বাংলা, উড়াল পঙ্খি, শেরে বাংলা, লাল বাদশা, মমতাময়ী, মহারানী নামের ঘোড়াগুলো ছিল উল্লেখ্য যোগ্য। বাহারি নামের এই ঘোড়াগুলো নিয়ে বেশ আলোচনা ও কৌতুহলে সৃষ্টি হয় সাধারণ মানুষের মাঝে।

গত শনিবার (১৩ই মার্চ) বিকাল ৩টা থেকে এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা শুরু হয়। দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতাকে কেন্দ্র করে জগজীবনপুর গ্রামে বসেছিল বিরাট মেলা। করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবত গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা বন্ধ ছিল। হঠাৎ করে আবার এই প্রতিযোগীতাটি চালু করার কারণে সব শ্রেণীর মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। লক্ষলক্ষ মানুষের আগমন ঘটে।

এব্যাপারে ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতার আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেন- জুয়া, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য প্রতি বছর আমরা এই আয়োজন করে থাকি। কিন্তু করোনার কারণে অনেক দিন বন্ধ ছিল। দীর্ঘ দিন পর হলেও আমরা আবার এলাকার মানুষের মনে আনন্দ দিতে সক্ষম হয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর