• বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

আমদানিতে ই-পেমেন্ট শুল্কায়ন বাধ্যতামূলক হচ্ছে জুলাইয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১ | ১:১০ pm
                             
                                 

আগামী নতুন অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম দিন (১ জুলাই ২০২১) থেকে আমদানি পণ্যের শুল্ক-কর ২ লাখ টাকার বেশি হলে বাধ্যতামূলক ই-পেমেন্ট এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। পরবর্তী ৬ মাস পর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে অর্থাৎ ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব ধরনের আমদানি পণ্যের শুল্কাদি বাধ্যতামূলকভাবে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এখন ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু থাকলেও শুল্ক পরিশোধে তা বাধ্যতামূলক নয়। তবে এবার বাধ্যতামূলক ই-পেমেন্ট চালুর সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

ই-পেমেন্ট পদ্ধতির কাজে কি ধরণের তথ্য সরবরাহ করতে হবে এবং কোন পদ্ধতিতে করতে হবে সে বিষয়ে অনেক আগেই পণ্য খালাসে নিয়োজিত সিএন্ডএফ এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ই-পেমেন্টের জন্য যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ‘রিয়েল টাইম গ্রস স্যাটেলমেন্ট (আরটিজিএস)’ পদ্ধতি ব্যবহার করে শুল্ক-কর পরিশোধের বিষয়ে আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে সিএন্ডএফ এজেন্টদের যোগাযোগ করতে বলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এসোসিয়েশন। সম্প্রতি এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তিনি সকল সিএন্ডএফ এজেন্ট সদস্যদের এই কাজে এখন থেকেই ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) সদস্যভুক্ত দেশে হিসেবে বাংলাদেশ এই সংস্থা প্রবর্তিত অনলাইন ভিত্তিক সফটওয়্যার এসাইকুডা ওয়ার্ড সিস্টেম ব্যবহার করবে। ওই সফটওয়্যারের মাধ্যমে শুল্কায়ন ই-পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

এখন ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু থাকলেও অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়। ফলে ই-পেমেন্ট করেন এমন আমদানিকারকের সংখ্যা খুবই কম। ২০১৭ সালে ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলেও তার কাক্সিক্ষত সুফল মেলেনি গত তিন বছরে। তাই এখন সেটি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

ই-পেমেন্ট ব্যবস্থায় আমদানিকারক বা সিএন্ডএফ এজেন্টের ব্যাংক হিসাব থেকে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি ট্রেজারিতে অর্থ পরিশোধ করা যায়। ফলে আমদানিকারক বা সিএন্ডএফ এজেন্ট নির্বিঘ্নে দ্রুত রাজস্ব পরিশোধ করতে পারবেন। এতে আমদানি-রপ্তানি পর্যায়ে শুল্ক-কর পরিশোধে জালিয়াতির ঝুঁকি কমে যাবে। কিছু পণ্য রপ্তানিতেও শুল্ক দিতে হয়।

আমদানিকারকেরা ই-পেমেন্টে দ্রুত রাজস্ব পরিশোধ করতে পারবেন। এতে জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে রাজস্ব ফাঁকির প্রবণতাও কমে যাবে।

আমদানি পর্যায়ে আমদানি শুল্কের পাশাপাশি সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট, অগ্রিম করসহ বিভিন্ন ধরনের শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর