• রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

আমদানি শুল্ক কমায় হিলি স্থলবন্দরে ব্যস্ততা বেড়েছে চাল আমদানিকারকদের

মো: কুদ্দুস আলী খান হিলি (দিনাজপুর)
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট ২০২১ | ৮:৫৬ pm
                             
                                 

আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়াই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানির সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের করে এনেছে বন্দরের চাল আমানি কারকরা। ইতোমধ্যে খাদ্য মন্ত্রনালয় থেকে বেশ কয়েকজন আমদানি কারক চাল আমদানির অনুমতিও পেয়েছেন। চাল আমদানির লক্ষে খোলা হয়েছে বেশ কয়েকটি ঋণপত্র বা এলসি। তবে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক চাল আমদানি ও বাজারজাত করণে পর্যাপ্ত সময় না দেয়ায় কিছুটা বে-কায়দায় বন্দরের আমদানি কারকরা।

আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আমদানি করা এসব চাল বন্দরে প্রবেশ করতে পারে বলে জানিয়েছেন আমদানি কারকরা। ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলেও মনে করেন তারা।

খাদ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক চাল আমদানির অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এলসি বা ঋণপত্র খুলতে হবে এবং আগামী ২৫ সেম্পেম্বরের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাজার জাত করতে হবে।

এপ্রসঙ্গে হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানি কারকরা জানিয়েছেন, এতো কম সময়ের মধ্যে চাল আমদানি করে বাজারজাত করা কষ্টসাধ্য ব্যপার। আমদানি ও বাজারজাত করাণে কিছুদিন সময় বাড়িয়ে দিলে ব্যবসায়ীরা স্বস্থির সাথে চাল আমদানি করতে পারতো।

হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানি কারক দিনেশ কুমার পদ্দার জানান, সীমান্তের ওপারে আমদানিকৃত পণ্য বাহী ট্রাকের দীর্ঘ লাইন। একটি পন্য আমদানি করে হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করাতে সীমান্তের ওপারে যানজটের কারণে প্রায় এক থেকে দুই সপ্তাহ লেগে যায়। আমদানি কারক মোস্তাফিফুর রহমান মোস্তাক জানান, সীমান্তের ওপারে জানযটের মধ্যে খাদ্য মন্ত্রনালয়ের বেঁধে দেয়া এতো কম সময়ের চাল আমদানি করা অনেক কঠিন।

আমদানি কারকরা বলছেন ভারতের বাজারে চালের দাম কিছুটা উর্ধমূখী। বর্তমান ২৫ দশমিক ৫শতাংশ শুল্ক হারে ভারত থেকে চাল আমদানিতে প্রতি কেজিতে খরচ হবে ৮ থেকে ৯ টাকা। আমদানি খরচ মিটিয়ে প্রতি কেজির দাম পরবে ৪২ থেকে ৪৩ টাকা। অথচ আমাদের দেশের বাজারেই চালের দাম প্রায় সমপরিমান। এঅবস্থায় চাল আমদানি করে ব্যবসায়ীদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে ভারতীয় চাল আমদানি শুরু হলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলে মনে করেন আমদানিকারকরা।

এদিকে হিলি কাস্টমসের উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরে চাল আমদানি শুরু হলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। চাল নিত্য পণ্য হওয়ায় তা ছাড় করণে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খোলাবাজারে চালের দাম উর্ধমূখী ঠেকাতে বিদেশ থেকে চাল আমদানিতে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সম্প্রতি ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে নামিয়ে আনে সরকার। ফলে আবারও সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর