• রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

গৌরীপুরে বিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত টাকার অনিয়মের অভিযোগ

ওবায়দুর রহমান, গৌরিপুর, ময়মনসিংহ
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৮:০৫ pm
                             
                                 

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ২নং গৌরীপুর ইউনিয়নের ১৭৭ নং নন্দুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপ, ক্ষুদ্র মেরামত ও উন্নয়ন বরাদ্দের সাড়ে চার লাখ টাকার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গা টিনের ঘরে অপরিসর শ্রেণি কক্ষে ছাত্রছাত্রীদের গাদাগাদি করে বসিয়ে চলছে পাঠদান। উপরে সিলিং না থাকায় প্রচন্ড গরমে ঘামে ভিজে আছে শিক্ষার্থীরা। কোভিড-১৯ সরঞ্জাম হাত ধুয়ার পানির ড্রাম, সাবান, স্প্রে মেশিন, ডাস্টবিন বাকেট অফিস কক্ষে রাখা।
এছাড়াও বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ও সাইনবোর্ড নেই। মূল সড়ক থেকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ পথের রাস্তায় পানি জমে আছে।

বরাদ্দের টাকায় কি কাজ হয়েছে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা রাজিয়া জানান- স্লিপের টাকায় কোভিড-১৯ সুরক্ষা সামগ্রী ও ছয় জোড়া বেঞ্চ ক্রয় করেছেন, ক্ষুদ্র মেরামতের টাকায় বিদ্যালয়ের ফ্লোর পাকা করণ ও ৬ জোড়া বেঞ্চ বানিয়েছেন। কোভিড-১৯ সুরক্ষা সামগ্রী অফিসে থাকার ব্যাপারে তিনি বলেন- মাঝে মাঝে এগুলো বাইরে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান- নন্দুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তারপর বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে। ২০১২ সালে পুণরায় চালু করা হয়। ২০১৪ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয় করণ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন- বিদ্যালয়ে বর্তমানে যিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি মূলত সহকারী শিক্ষক। সম্প্রতি বরাদ্দের টাকায় যে কাজ করা হচ্ছে তা অত্যান্ত নিম্নমানের। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের কাজের ব্যাপারে কারো সাথে কোন পরামর্শ করেন না।

এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু রায়হান জানান- সুলতানা রাজিয়া বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, তিনি আনঅফিসিয়ালী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। স্লিপের ৫০ হাজার ও ক্ষুদ্র মেরামতের দুই লাখ টাকার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। উন্নয়ন বরাদ্দের দুই লাখ টাকা এখনো উত্তোলন করা হয়নি। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে বলে জানান তিনি।

গৌরীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন বলেন- বরাদ্দের টাকায় বিদ্যালয়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। কাজের কোন অভিযোগ থাকলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর