• বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লক্ষ্মীপুরে জেলা পরিষদের কেক কাটা ও আলোচনা সভা মণিরামপুরের সেরা ষাঁড়ের দাম ১৫ লাখ টাকা বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী গৌরীপুর আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ ফুলবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মণিরামপুরে কঠোর লকডাউন: ১৩ দোকানির জরিমানা শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-তল ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি স্বপন পাঁচ হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি, শ্বাসকষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের আলোচিত মিঠু হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার গ্রেপ্তার

মোঃ সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ১২ মে ২০২১ | ৩:২৪ pm
                             
                                 

চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তার স্বামী পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখায় পিবিআই। আগামীকাল তাকে আদালতে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি।

এর আগে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় পিবিআই মেট্রো অঞ্চলের কার্যালয়ে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার।

পিবিআই সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল সোমবার বাবুল আক্তারকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নেয়া হয়। মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমাসহ পিবিআইয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মিতু হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় রাতে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। ওই সময় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি বলেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রী আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন। তবে সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় মিতু হত্যার তদন্ত নতুন মোড় নেয়।

বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ অব্যাহতভাবে হত্যাকাণ্ডের জন্য বাবুল আক্তারকে দায়ী করে থাকেন। তবে পুলিশের তরফ থেকে কখনোই এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি।

শুরু থেকে চট্টগ্রামের ডিবি পুলিশ মামলাটির তদন্ত করে। তারা প্রায় তিন বছর তদন্ত করেও অভিযোগপত্র দিতে ব্যর্থ হয়। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত মামলাটির তদন্তের ভার পিবিআইকে দেয়।

মিতু হত্যার পর বাবুল আক্তার প্রথমে ঢাকার মেরাদিয়ায় শ্বশুরবাড়িতে উঠেছিলেন। কিছু দিনের মাথায় ২০১৬ সালের ২৪ জুন বাবুল আক্তারকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে এনে প্রায় ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়।

পরে পুলিশ জানায়, বাবুল চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পরে বাবুল আক্তার দাবি করেন, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি। পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের জন্য ৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে তিনি আবার আবেদন করেন। ৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চাকরিচ্যুত করা হলো।

বাবুল আক্তার পুলিশের চাকরি ছেড়ে প্রথমে আদ–দ্বীন হাসপাতালে যোগ দেন। সম্প্রতি তিনি চীন থেকে পানি পরিশোধনকারী যন্ত্র এনে বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর