• সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:০৯ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
লকডাউনের নবম দিনে সাতক্ষীরায় পুলিশের কঠোর অবস্থান ২১ জুন লক্ষ্মীপুর-২ উপ-নির্বাচন: আওয়ামী লীগের বিরামহীন প্রচারণা প্যাঁচার অভয়াশ্রম সাগরদিঘি শাহজাদপুরে ডুবো রাস্তায় বদলে গেছে লাখো মানুষের জীবনমান লক্ষ্মীপুরে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মৃত্যু: স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা সুন্দরগঞ্জে ৬ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার শরণখোলায় ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি এসে চেক দিলেন জেলা প্রশাসক শত বছরের পুরনো রাস্তা বন্ধ করে অন্যের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ বাগেরহাটে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা (অনুর্ধ্ব-১৭) গোল্ডকাপ ফুডবল টুনামেন্টের উদ্বোধন মাগুরার শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত-৩

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি পণ্য পরিবহন খরচ বাড়ছে তিন কারণে

মোঃ সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১ | ১:১৬ am
                             
                                 

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির পণ্য পরিবহন খরচ বাড়ছে তিনটি কারণে। যার মূল কেন্দ্রবিন্দু সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও পোর্ট কেলাং বন্দর। এই তিন বন্দর দিয়েই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পণ্য আসে ইউরোপ আমেরিকা থেকে। যার কারণে এই তিন বন্দরের জাহাজ জট ভোগাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীদের।

জানা যায়, কোভিডের কারণে বিশ্বব্যাপী কনটেইনার পরিবহনে স্বাভাবিক শৃঙ্খলা এখনো ফিরে না আসা, শিপিং সেক্টরে খালি কনটেইনারের সংকট এবং বিভিন্ন বন্দরে কনটেইনার জমে যাওয়ার কারণেই পণ্য পরিবহনে খরচ বাড়ছে।

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ-আমেরিকায় পণ্য পরিবহনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর সিঙ্গাপুর পোর্টে জাহাজের গড় অবস্থানকাল (টার্ন এরাউন্ড টাইম) এখন দ্বিগুণ। এই বন্দরের জাহাজজটের ধাক্কা পড়েছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে। সিঙ্গাপুরে জাহাজজটের কারণে একটি জাহাজকে বাড়তি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। আর এতে পণ্য পরিবহনের দাম বাড়ছে। এর মাশুল গিয়ে পড়ছে পণ্যের ওপর।

একই অবস্থা কলম্বো ও পোর্ট কেলাং বন্দরেও। সেখানেও জাহাজের গড় অবস্থানকাল প্রায় দ্বিগুণ। যার ফলে বাংলাদেশ থেকে আমাদনি ও রপ্তানি পণ্য নিয়ে আসা যাওয়া করা জাহাজগুলোকে ওই বন্দরগুলোতে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে জাহাজের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

জাহাজ জট ও কনটেইনার সঙ্কট প্রসঙ্গে শিপিং এজেন্ট পিআইএল বাংলাদেশের এর মহাব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ জহির বলেন, করোনার কারণে ইউরোপ আমেরিকার বন্দরগুলোতে খুব ধীরে পণ্য খালাস করছে সে সব দেশের আমদানিকারকরা। যার কারণে ওই সব দেশে কনটেইনার পড়ে আছে। আবার বিভিন্ন কোম্পানি তাদের লিজিং কনটেইনার ছেড়ে দিয়েছে। এতেও কনটেইনারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, শিপিং এর প্রিন্সিপাল কোম্পানিগুলো তাদের জাহাজ কমিয়ে ফেলেছে। জাহাজ সংখ্যা কমিয়ে তারা পণ্য পরিবহন করছে। এতে জাহাজের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আর এক জাহাজে কনটেইনারের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ফলে ওই সব জাহাজ সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও পোর্ট কেলাং বন্দরে গিয়ে কনটেইনার ওঠানামাতে সময় বেশি ব্যয় করছে। যার ফলে বাংলাদেশি জাহাজগুলোকে ওই জাহাজের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।এসব কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি রপ্তানি পণ্য পরিবহনে প্রভাব পড়ছে। বাড়ছে সময়, বাড়ছে খরচ।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর