• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০১:০২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
বোয়ালমারীর বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গোলাম ছরোয়ার মৃধা আর নেই ইচ্ছে মত আসেন চসিকের বর্জ্য সংগ্রহে ডোর টু ডোর প্রকল্পের পরিচ্ছন্নকর্মীরা বন্ধের পথে চট্টগ্রাম বিভাগের ১০ হাজার কেজি স্কুল সড়ক দূর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির মায়ের মৃত্যু তাহিরপুরে বিজিবি ও এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, নারীসহ আহত ১০ কেশবপুরে তৃণমূল সাংবাদিক দলের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ও রয়েছে বিনোদনের ব‍্যবস্হা দেবহাটায় পানি ফল চাষে সফলতা, সম্ভাবনাময় কৃষিখাত চট্টগ্রামে ১৯১৩ মণ্ডপে দুর্গোৎসবে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা আক্কেলপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

কৃষিতে চট্টগ্রামের অবদান পর্ব-২

দক্ষিণ চট্টগ্রামে পেয়ারা চাষে অধিক সাফল্য

মোঃ সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০ | ৫:২৪ pm
                             
                                 

দেশি পেয়ারা চাষ বানিজ‍্যিকভাবে চাষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার আবুল কালামের ভাগ‍্য ফিরেছে গত কয়েকবছর আগেই। প্রতি মাসে প্রায় ২ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন এই কৃষক। আবুল কালাম এখন এলাকার কৃষকদের মডেল। তার এই পেয়ারা বাগান দেখতে অনেকেই ভিড় করেন। তার দেখাদেখি কেউ কেউ পেয়ারা চাষও শুরু করেছেন।

জানা যায়,উক্ত উপজেলার বাশবাড়িয়া এলাকার আবুল কালাম ২ বছর আগে স্থানীয় কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদফতর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরে তিনি ৮ বিঘা জমিতে থাই পেয়ারা-৩ চাষ শুরু করেন। বছর না ঘুরতেই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। বছরে তিনবার ফলন পাওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেয়ারা ধরে গাছে। বাজারে পেয়ারার দাম কম হলেও অধিক ফলনে পুষিয়ে যায়। আর শীতের প্রথম দিকে পেয়ারা বিক্রি হয় ডজন সাইজ অনুযায়ী ৮০ থেকে ১০০ টাকা। খেতে খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল পেয়ারার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে বাজারে। এ কারণে ভালো দামও পাচ্ছেন আবুল কালাম। বিঘা প্রতি ৩ লাখ টাকার অধিক পেয়ারা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি ।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৭ লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে। আরও ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি হবে বলে মনে করছেন তিনি।আবুল কালাম জানান, পোকা দমনে বাগানে কোনো ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহার করেন না। কীটনাশকের বদলে তিনি বাগানে স্বাস্থ্য সম্মত বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেন। আবুল কালামের সাফল্য দেখে অনেক কৃষক পেয়ারা চাষে উৎসাহী হয়ে উঠছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই দেশি পেয়ারার চাষ শুরু করেছেন। এদিকে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিষমুক্ত উপায়ে পেয়ারা চাষ পদ্ধতি শেখানোসহ কৃষকদের ফল চাষে নানা বিষয়ে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।তাদের তথ্য মতে দক্ষিন চট্টগ্রামের এ এলাকা গুলোর মধ্যে শুধুমাত্র চন্দনাইশ উপজেলায় রয়েছে পাচশ মত পেয়ারা চাষি।

কৃষিবিদ আনোয়ার জানান পেয়ারার পুষ্টিমান যে কোনো বিদেশি ফলের চেয়ে বেশি। তাই দেশিও ফলের এই চাষ বাড়ানোর মাধ্যমে বিদেশ থেকে ফল আমদানির খরচ কমানো সম্ভব। সে লক্ষ্যেই কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, আমাদের যে কৃষি পণ্য আছে সেটিকে আরও ভালোভাবে নার্সিং করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যদি এটা চাষাবাদ করতে পারি একদিকে ফলন বৃদ্ধি পাবে অপরদিকে কৃষক অধিক লাভবান হবে।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের পেয়ারার কদর পুরো বিভাগ জুড়ে রয়েছে। বিশেষ করে বোয়ালখালী পটিয়া চন্দনাইশ এবং উত্তর চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এলাকার বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে দেশী পেয়ারার চাষ। পেয়ারা চায করে কৃষকরা সাবলম্বি হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতে অবদান রেখে চলেছে পেয়ারা চাষীরাও।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর