• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
সুনামগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাটে প্রতিবন্ধী ভাতার চেক আটক রেখে টাকা দাবীর অভিযোগ ইসলামপুরে গ্রামীন জনপদে শহরের ছোঁয়া সন্ধ্যা নামতেই মেঠপথ আলোকিত মাদারীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাড়া গেলেন পুলিশ সদস্য শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার আরো এক আসামী গ্রেফতার মনোহরদীতে দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন এড. হারুনুর রশিদ বকশীগঞ্জে মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার সামির ছাত্তারের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ ইসলামপুরে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ আলফাডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু সিরাজদিখানে লকডাউনে দোকান খোলায় ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

দূর্ভোগের আরেক নাম যমুনার বালুচর

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ২২ মার্চ ২০২১ | ৭:১০ pm
                             
                                 

জামালপুরের ইসলামপুর যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে ধূ-ধূ বালুচর পায়ে হেঁটে যাতায়াত ছাড়া কোন ্পায় নেই। যমুনার ভরা যৌবন কিন্তু কালের বিবর্তনে তার যৌবন হারিয়ে এখন মৃত প্রায়। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে একদিকে যেমন বাস্তহারা করছে চরের মানুষকে অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে যমুনা মরা খালে পরিণত হচ্ছে। প্রতি নিয়তই যমুনার দুর্গম চরের মানুষদের যাতায়াতে দূর্ভোগের শেষ নেই। সদরে আসতে ধূ ধূ বালুর চরে ১৫ থেকে ২০ কিঃ মিঃ দূর্ভোগ পোহাতে হয়।
জানাগেছে,শুস্ক মৌসুমের বালুর চরের এই দূর্ভোগ লাগবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড জামাল আব্দুন নাছের বাবুলের অর্থায়নে সবুজ মিয়ার সহযোগীতায় জনস্বার্থে বালুর চরে আখের ব্যাগাস ফেলে পানি সেচের মাধ্যমে রাস্তা নির্মানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করায় স্বস্থি ফিরে পেয়েছে যমুনার চরাঞ্চলবাসী। যমুনার চরাঞ্চলে চারটি ইউনিয়ন সাপধরী,চিনাডুলী,বেলগাছা,নোয়ারপাড়ার প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। রাস্তা নির্মাণের ফলে দুই ঘন্টার পথ এখন মাত্র ১০মিনিটেই যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। অন্যদিকে চরাঞ্চল বাসী তাদের আবাদি কৃষিপন্ন সহজে এবং স্বল্প সময়ে বাজারজাত করতে পারছেন। পথচারীরা জানান- মন্ত্রী মহোদয় চরের মানুষের কথা ভেবে আখের ব্যাগ্যাস দিয়ে রাস্তা করে দেওয়ায় আমাদের যাতায়াতের সুবিধা হয়েছে।
পথচারী কাইজার মিয়া জানান, আমাদের যাতায়াতের জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে। এই রাস্তা হওয়ায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারে। তবে ব্যাগাস ফেলে রাস্তা নির্মান করায় মজুতকৃত ব্যাগাসে কে বা কাহারা আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে অনেক গুলো আখের ব্যাগাস পুড়ে যায়। এই শত্রুতার জন্য পথচারীরা দুঃখ প্রকাশ করেন।
চরাঞ্চলের স্কুল, মাদরাসা, হাসপাতাল, ব্যাংক-বীমা, কমিউনিটি সেন্টার, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত লোকজন প্রতিদিন চরাঞ্চলে যাতায়াত করে। এসব মানুষের যাতায়াতের রাস্তাটা হওয়ায় মোটরসাইকেলও চলে। তবে চরের অনেক মানুষ এখনও পায়ে হেঁটেই বিশাল বিশাল চর পাড়ি দেয়।
এ ব্যাপারে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল জানান-চরাঞ্চল বাসীর দূর্ভোগের কথা ভেবেই শুস্ক মৌসুমে চলাচলের সুবিধার্থে আখের ব্যাগাস ফেলে রাস্তা নির্মান করা হচ্ছে। যাতে তারা নির্বিগ্নে চলাচল করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 3
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর