• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

নওগাঁ-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারনা

চম্পক কুমার, নওগাঁ
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৪:৫৯ pm
                             
                                 

আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নওগাঁ-৬ আসনের উপ-নির্বাচন। যাচাই-বাছাই শেষে গত ২৮ তারিখে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে মাঠে নেমেছেন সরকার দলীয় প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল। অপরদিকে মাঠে নেমেছে বিএনপির প্রার্থী শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম রেজু। এছাড়াও নাশন্যাল পিপলস পার্টির প্রার্থী ইন্তেখাব আলম রুবেল আম প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে নৌকার পক্ষে এক বিশাল নির্বাচনী র‌্যালী বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিন করে। রাণীনগর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয় থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগের যৌথ আয়োজনে র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ আসনের নৌকা মার্কার মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল।

র‌্যালী শেষে সন্ধ্যায় উপজেলা বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বর এলাকায় পথসভায় আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, এই আসনের উন্নয়নসহ সারা দেশের সার্বিক উন্নয়নে এলাকাবাসি খুশি হয়ে বারবার নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করেছে। ইনশাল্লাহ্ আগামী ১৭ অক্টোবর দিন ব্যাপি উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোটাররা ভোট দিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে। আত্রাই-রাণীনগরে উন্নয়ন আর জনগণের জানমালের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমার শক্ত অবস্থান থাকবে। এলাকাবাসি সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাবো। এই ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গোষ্ঠির কাছে মাথা নত করবো না।

অপরদিকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম রেজু একই দিন রাণীনগর উপজেলার কনৌজ, হরিশপুর, আতাইকুলা গ্রামসহ বিকেলে ত্রিমোহনী হাটে গণসংযোগ করেছেন। রেজু নির্বাচনী পথসভায় অভিযোগ করে বলেন সরকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা প্রতিক বরাদ্দের আগেই তোরন বানিয়েছে। রাণীনগর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিতদের কোন প্রকারের নির্বাচনী কর্মকান্ড করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রচার শুরুর পর থেকে আমার পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। আমার দলের লোকদের ভয়ভীতি প্রদান করা হচ্ছে। একেমন আচরন। বিষয়গুলো প্রশাসনকে জানিয়েও আজ পর্যন্ত কোন লাভ হয়নি। গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে আমি নির্বাচনে এসেছি এই নির্বাচনে প্রচারণার ক্ষেত্রে কোনে ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার সরকার দলীয় প্রার্থীকে নিতে হবে। ভোটাররা যে ভাবে ধানের শীষের পক্ষে সারা দিচ্ছে। সাধারন মানুষরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে আগামী ১৭ অক্টোবর আমি বিপুল ভোটে জয়ী হবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর