• রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

মানুষের শেষকৃত্য তার ধর্মীয় অধিকার: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১ | ১২:৪২ am
                             
                                 

মানুষ মৃত্যুবরণ করার পর শেষকৃত্যটা তার ধর্মীয় অধিকার, এটা তার অবিচ্ছেদ্য রাইট এবং তার পরিবারের নৈতিক কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেন, দেশে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে, এরকম একটি উন্নত দেশে মানুষের মৃত্যু হবে, আর তার কবরের জায়গা নেই। এমন সংবাদে স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় লক্ষ্মীপুরের ভূমিহীন মানুষের জন্য এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে লক্ষ্মীপুরে ভূমিহনীনদের জন্য নির্মিত কবরস্থানের ফলক উন্মোচন শেষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মীয় রীতি-নীতি ও অনুশাসন মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, শুধু আরবী পড়লে হবেনা, মসজিদে নামাজ পড়তে হবে। যে নামাজ পড়বে সে চুরি, ডাকাতি, বেঈমানী করতে পারে না। ‘জঙ্গিবাদ ইসলামের শত্রু। জঙ্গিবাদ থেকে দূরে থাকতে ইসলামকে জানতে হবে।’ কোরআন তেলওয়াত করলে যেনো অর্থ সহকারে পড়া হয়, সেজন্য মাদ্রাসা-বক্তব শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, আর্থ-সামাজিকসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। এ কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। অনেকদূর এগিয়েছে দেশ।
সদর উপজেলা চরমনসা এলাকায় জেলা পুলিশের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলিন, বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর সভানেত্রী জীশান মীর্জা। উপস্থিত ছিলেন, চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান প্রমুখ। শুরুতে কবরস্থানের নামফলক উন্মোচন করেন আইজিপি। পরে বৃক্ষ রোপন করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মেঘনা নদীর ভাঙ্গণের শিকার হয়ে রামগতি ও কমলনগরের প্রায় দুই হাজার পরিবার স্থানীয় বিভিন্ন সড়কের পাশে আশ্রীত রয়েছে। এসব পরিবারের কোন জায়গা না থাকায় কেউ মারা গেলে তাদের দাফনের ক্ষেত্রে বিপাকে পড়তেন তারা। একই সঙ্গে মসজিদ না থাকায় নামাজ আদায়ে বিঘœতা ঘটতো মুসল্লীদের। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের পর আইজিপি’র নজরে আসে। পরে তার নির্দেশনায় ও নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয় চর মনসা গ্রামে ২৯ শতক জমি ক্রয় করা হয়। এরপর রাস্তা ও মসজিদ নির্মাণ এবং ১২শ’ লোকের কবরস্থানের সু-ব্যবস্থা করা হয়।

মো. সোহেল রানা

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর