• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রের কার্যকারিতা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করবে: এড. নয়ন এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১ | ৫:৪১ pm
                             
                                 

রায়পুর মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রের কার্যকারিতা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে শ্রীঘ্রই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাংসদ এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। তিনি বলেন, “আমাদের সীমিত সম্পদের মধ্যে সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু মাছ নিয়ে গবেষণা করলেই হবে না। এ গবেষণার সুফল যাতে জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে রায়পুরে অবস্থিত এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ মৎস প্রজনন কেন্দ্র ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ফিস হ্যাচারী) পরিদর্শনে এসে মৎস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এমপি এসব কথা বলেন।

এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা তথা এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ একটি মৎস প্রজনন কেন্দ্র। এটির বিভিন্ন সমস্যা দুর করে কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে সেবা ও রাজস্ব বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সেবার মান বৃদ্ধি ও মৎস উৎপাদনে সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে এক বৈঠকে মৎস প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: ওয়াহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসমাইল খোকন,
রায়পুর পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, প্যানেল মেয়র আইনুল কবির মনিরসহ পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালের জুনে ৫৪ একর জমিতে ও ২১.৮৩ হেক্টর আয়োতনের ৭৫টি পুকুর নিয়ে রায়পুর পৌরসভা পশ্চিম কাঞ্চনপুর গ্রামে হ্যাচারির নির্মাণকাজ হয়। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী এজেডএম ওবায়দুল্লাহ খান এটির উদ্বোধন করেন। গুণগত মানসম্পন্ন রেণু ও পোনার সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং মাঠপর্যায়ে মৎস্য খাতের সঙ্গে নিয়োজিতদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে হ্যাচারিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে রায়পুরের গুরুত্বপূর্ণ এ হ্যাচারি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (মৎস্য) অসীম কুমার বালা ও মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. রমজান আলী সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরে তারা ১৩টি সমস্যা চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে তা সমাধানের জন্য সুপারিশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর