• বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

রেলপথ স্থাপনে প্রধান মন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত-রেলমন্ত্রী

আল মামুন রনী, বোয়ালমারী (ফরিদপুর)
প্রকাশ হয়েছে : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০ | ৭:৪৭ pm
                             
                                 

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী বাজারে রেলপথ পরিদর্শন ও পথ সভা করেছেন রেলমন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন।
শনিবার (৩১.১০.২০) দুপুর ২টায় উপজেলার কামারখালী বাজারে বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী মতিউল ইসলাম মুরাদের সভাপতিত্বে এবং কামারখালী বাজার বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও আড়পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ আরমান হোসেন বাবুর সঞ্চালনায় পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রেলমন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন।
পথসভায় প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ মোঃ আব্দুর রহমান। এ সময় অন্যান্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মনজুর হোসেন, মাগুরা -১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ সাইফুজ্জামান শিখর, মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকুসহ ফরিদপুর ও মাগুরা জেলা এবং মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
কামারখালী বাজারের মধ্য দিয়ে রেলপথ যাওয়ার ব্যাপারে মতবিরোধ থাকায় রেলমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা যদি রেলপথ চান তাহলে একটু ছাড় দিতে হবে । যদি বাজারের ভিতর দিয়ে রেলপথ না যেতে দিতে চান তাহলে বিকল্প চিন্তা করতে হবে । সেখানেও আপনাদের জমি দিতে হবে । সে ক্ষেত্রে ২/৩ বছর সময় লাগবে। আপনারা চাইলে আগামী জানুয়ারীতেই রেলপথের কাজ শুরু হবে। সর্বোপরি আমরা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে রেলপথ স্থাপন নিয়ে বিস্তর আলোচনা করবো । তিনি যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটাই চুড়ান্ত হবে ।
বিগত আওয়ামীলিগ সরকারের সময় ততকালীন এম,পি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলিগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমানের প্রচেষ্টায় টুঙ্গিপাড়া- রাজশাহী রেলপথ চালু হয়।মাগুরা বাসির দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন ততকালীন প্রধানমন্ত্রীর এ,পি,এস ও মাগুরা-১ আসনের বর্তমান সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখর। আব্দুর রহমানের সহোযোগিতায় মধুখালি-মাগুরা রেলপথ বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়। অতীতে মধুখালি থেকে কামারখালি রেলপথ থাকলেও দীর্ঘদিন রেল চলাচল বন্ধ থাকায় রেলের যায়গা বেদখল হয়ে যায়।সেই বেদখল হওয়া রেললাইন বর্ধিত করে মাগুরা পর্যন্ত রেললাইন (২১কিমি) প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 7
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর