• মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শিগগির বাংলাদেশে ‘কোভ্যাক্সিন’র ট্রায়াল চালাতে চায় ভারত সাতক্ষীরায় জুলাই মাসে করোনায় ১৫, উপসর্গে ২০৫ জনের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জ ছিনতাইকৃত মহিষ আক্কেলপুরে উদ্ধার রবিউল এবার পেল সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, সমাজসেবা থেকে পেল আর্থিক সহায়তা বোয়ালমারীতে জেলা পরিষদ বানিজ্যিক ভবনের কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সুন্দরগঞ্জে টিকা সম্প্রসারণে অবহিতকরণ সভা মাধবপুরে কঠোর নজরদারিতে এসিল্যান্ড অভিযানে ১৩টি মামলায় জরিমানা সেই পরিত্যক্ত ঘরেই মারা গেলেন জনপ্রিয় শিক্ষক যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বর্জ্য, হুমকির মুখে পরিবেশ বকশীগঞ্জে ৩৩৩ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার!

সিংগাইরে ইউএনওকে আপা বলায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা

মোঃ সাইফুল ইসলাম তানভীর, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১ | ৮:৫২ pm
                             
                                 

বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লার হেফাজতে থাকা ত্রাণ সামগ্রী নষ্ট হওয়ার রেশ না কাটতেই এবার ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানার পর ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। ইউএনও’কে স্যার না বলে আপা সম্বোধন করায় সংখ্যালঘু তপন চন্দ্র দাশ (৪৫) নামের ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালতের সাথে থাকা আইন শৃংখলা বাহিনীর এক সদস্য। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের জায়গীর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার তপন চন্দ্র দাস উপজেলার জয়মন্টপ গ্রামের গুরু চন্দ্র দাসের পুত্র।

জানা গেছে, চলমান কঠোর লকডাউনের ৮ম দিনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় বের হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা। বৃহস্পতিবার বিকেলে জায়গীর বাজারে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন তিনি। এ সময় ওই বাজারে প্রিতম জুয়েলার্স নামের স্বর্ণের দোকান খোলা থাকায় দোকানটিতে ঢুকে মালিক তপন চন্দ্র দাস ও একাধিক ক্রেতাকে জরিমানা করেন। এক পর্যায়ে তপনকে শাসানো হলে ইউএনওকে আপা বলে ক্ষমা চান তিনি। ঘটনাস্থলে ইউএনও’র সাথে থাকা আইন শৃংখলা বাহিনীর এক সদস্য ওই ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেন।

ভুক্তভোগী তপন দাস অভিযোগ করে বলেন- লকডাউনের শুরু থেকেই আমার দোকান বন্ধ ছিল। ক্রেতাদের পূর্বের অর্ডারকৃত স্বর্ণালংকার ডেলিভারী দিতে গেলে ভ্রাম্যমান আদালত উপস্থিত হন। আদালত নির্ধারিত জরিমানার ২’হাজার টাকা পরিশোধ করি। লকডাউন অমান্য করায় ইউএনও কে আপা বলে ক্ষমা চাওয়ার পরও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে লাঠি দিয়ে ৩টি বারি মারে এক সদস্য।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা বলেন- মারধরের কোন ঘটনা ঘটেনি। দোকানে অনেক লোকের সমাগম থাকায় মালিকসহ ক্রেতাদের জরিমানা করে দোকানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, সিনিয়র অফিসাররা এরকম করার কথা নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর