• বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

অবৈধ জাল পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ উপজেলা চেয়ারম্যান ॥ বিব্রত প্রশাসন

আবু হানিফ, বাগেরহাট
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১ | ৩:৪৮ pm
                             
                                 

নির্বিঘ্নে মৎস্য প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বলেশ্বর নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ টি অবৈধ বেহুন্দি জাল আটক ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনে বিব্রতকর অবস্থা চলছে।

বুধবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীনের নেতৃতে বলেশ্বর নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে জাল গুলো আটক করা হয়। সন্ধ্যায় উপজেলা সদর সংলগ্ন বান্ধাঘাটায় জাল গুলো আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার সময় শরণখোলা উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি তার অনুমতি ছাড়া কেন এ অভিযান চালানো হয়েছে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ।

এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম. এম পারভেজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উন্মুক্ত নদী ও সাগরে অবৈধ বেহুন্দি জাল মৎস্য সম্পদের জন্য বিরাট হুমকী। এ জাল গুলো অপসারনের ব্যাপারে নিয়মিত অভিযান আমাদের বিভাগীয় দায়িত্ব। উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের আচরনে আমি বিব্রত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষার স্বার্থে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আমি এ অভিযান পরিচালনা করি। জনসম্মুখে একজন বিভাগীয় কর্মকর্তার সাথে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে তার এ আচরন অনভিপ্রেত ও দুঃখ জনক।

ঘটনার পর পরই উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত তার নিজস্ব আইডি থেকে জাল আটক ও অগ্নি সংযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছেন। যাতে তিনি সরকারী কর্মকর্তাদের আচরনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যান রাহয়ান উদ্দিন শান্তর ওই পোষ্ট নিয়ে শরণখোলা উপজেলা প্রশাসন বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বর্তমান প্রজনন মৌশুমে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন নির্বিঘœ করতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪ টি অবৈধ বেহুন্দি জাল আটক করা হয়। এ জাল গুলো মৎস্য সম্পদের জন্য চরম হুমকী বলে জানান তারা। পরে জাল গুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর