• শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
চুয়েটে তিনদিনব্যাপী পুরকৌশল বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সম্পন্ন তাহিরপুর সীমান্তে মদসহ ১ ব্যবসায়ী গ্রেফতার দেশের নদ-নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার কাজ করে যাচ্ছে সরকার -পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার নাচোলের মিলন ইবি’র ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের নতুন সভাপতি নিয়োগ সিংগাইরে স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করলেন স্বামী রামগঞ্জে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ১৫ পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ইমাম হোসেন শাহজাদপুরে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহি বাউত উৎসব ফুলবাড়িয়ার সকল মুক্তিযোদ্ধার কবর পাকা করে দিবেন আওয়ামীলীগ নেতা তপন তালুকদার ছাতকে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

ইসলামপুরে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর
প্রকাশ হয়েছে : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৪:১১ pm
                             
                                 

জামালপুরের ইসলামপুরে ভূয়া ঠিকাদার বানিয়ে ৬ লক্ষ১৪ হাজার ৭৩০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য স্থানীয় সরকার উপ- পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন । ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৮-২০১৯ইং অর্থ বছরের এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭৩০ টাকার ২টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া উপজেলা বিজিসিসি সভায়। যার মধ্যে অসহায় পরিবারের মাঝে নলকূপ স্থাপন বাবদ ৬ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ও আহালুর বাড়ি থেকে মিজানুর রহমানের রাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট বাবদ ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৩০ টাকা।
অভিযোগকারী সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাজমা বেগম জানান, ইউপি সচিব উমর ফারুকের কথায় আমি একটি দোকান থেকে ৪৭ টি টিউবওয়েল ক্রয় করি এবং দুঃস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ করি। অপরদিকে আহালুর বাড়ি থেকে মিজানুর রহমানের রাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাটসহ দুটি প্রকল্পে মোট ৭ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৩০টাকা ব্যয় করে প্রকল্প দুটির কাজটি সম্পন্ন করি। কাজ চলমান অবস্থায় আমাকে ৫০ হাজার চেক ও টিউবওয়েল বিতরনের সময় ১ এক লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা দেয়। বাকী টাকা পরিশোধ না করে বিভিন্ন কারসাজির মাধ্যমে এলজিএসপি’র অর্থ হাফিজুর রহমানের নামে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক মাহমুদপুর বাজার শাখার হিসাব নং ০০২২০০০৮৫৬ এর ব্যবহার করে ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৪৬২ টাকা উত্তোলন করে ইউপি সচিব উমর ফারুকের নিকট রাখেন। বাকী ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৩০ টাকা চাইলে বিভিন্ন রকমের তালবাহানা করে আসছে।
ইউপি সচিব উমর ফারুকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি অবগত নই,তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 14
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর