• রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম

কুশাখালীতে সামসুল হককে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ২:৪৪ am
                             
                                 

জমে উঠেছে লক্ষ্মীপুরের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচারণা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী কয়েকমাসের মধ্যে সবগুলো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য ও দলের দুঃসময়ের কান্ডারী, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ সামসুল হককে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

শিক্ষা জীবনে এলএলবি পাশ করা সামসুল হক ১৪ দলীয় এক্য জোট চন্দ্রগঞ্জ শাখার যুগ্ম আহবায়ক ও কুশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ ছাত্র নেতা ও ১৯৯৪ সালে জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংগঠক ছিলেন।

কুশাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কল্যাণপুর রেনু মিয়া ব্যাপারী বাড়ির মৃত মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সামসুল হক পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। রাজনৈতিক অঙ্গনে জড়িত থাকার পাশাপাশি সামাজিক ভাবে তিনি বিভিন্ন সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পুরাতন দাসের হাট শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা। দায়িত্ব পালন করছেন মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, বণিক সমিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের।

জানা যায়, সামসুল হক ২০০১ সালে বিএনপি’র সাবেক এমপি এ্যানি চৌধুরীর নির্বাচনী অফিস ভাংচুর মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানির শিকার হোন। তিনি বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, জামায়াত নেতা গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নেন। এসময় তিনি পুলিশী হয়রানী ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হোন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানিয়েছে, এবার নৌকার মাঝি হিসেবে সামসুল হক উপযুক্ত তাই মনোনয়ন বোর্ডের কাছে, এলাকার আওয়ামী লীগের, সাধারণ কর্মীরা দাবি করেছেন, তদন্ত সাপেক্ষে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে কুশাখালী ইউনিয়নে নেতৃত্বের শুন্যতা বিরাজ করছিল। কিন্তু সামছুল হক আসায় সেই শুন্যতা নেই, আমরা ওনাকেই নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চাই।’

জানতে চাইলে মোহাম্মদ সামসুল হক বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী সমন্বয়ক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি। এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল-কলেজ নির্মাণে মাননীয় এমপি মহোদয়ের সহযোগিতায় উন্নয়ন কাজে শ্রম দিয়েছি। আশারাখি, জননেত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূলের কর্মী হিসেবে আমাকে মনোনীত করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর