• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
সুনামগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাটে প্রতিবন্ধী ভাতার চেক আটক রেখে টাকা দাবীর অভিযোগ ইসলামপুরে গ্রামীন জনপদে শহরের ছোঁয়া সন্ধ্যা নামতেই মেঠপথ আলোকিত মাদারীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাড়া গেলেন পুলিশ সদস্য শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার আরো এক আসামী গ্রেফতার মনোহরদীতে দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন এড. হারুনুর রশিদ বকশীগঞ্জে মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার সামির ছাত্তারের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ ইসলামপুরে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ আলফাডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু সিরাজদিখানে লকডাউনে দোকান খোলায় ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

গন শৌচাগারে বাস করছেন স্বামী-স্ত্রী

আল মামুন রনী, বোয়ালমারী (ফরিদপুর)
প্রকাশ হয়েছে : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১ | ৩:২১ pm
                             
                                 

পৃথিবীতে কেউ দারিদ্র্যতা নিয়ে জন্ম গ্রহন করে না। তবু নিয়তি কাকে কোথায় নিয়ে যায় কেউ বলতে পারে না। বেঁচে থাকার আশায় মানুষ বিভিন্ন কর্ম করে, মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁজে। কিন্তু সব আশা পুরন হয় না। তেমনি এক দম্পতির সন্ধান পেয়েছি যার স্থান বোয়ালমারীর পাবলিক টয়লেটে।

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার (সদর বাজার) টিনপট্টি এলাকায় গনশৌচাগারে দিন যাপন করছে শাহাদাত ও তার স্ত্রী নারগিস বেগম । শাহাদত বলেন, আমার বাড়ি মোহাম্মদপুর উপজেলার পাচুড়িয়ায় ছিল কিন্তু জন্মের সময় মাকে হারিয়ে ৬ বছরে বাবা কে হারিয়ে আজ বোয়ালমারীতে। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, পৈতিক সম্পদ বলে কিছু ছিল না, দারিদ্র্যতার কষাঘাতে এবং জীবিকার তাগিদে বোয়ালমারী তে চলে আসি। সেই সময় থেকে কাগজ কুড়িয়ে জীবন চালিয়ে নিচ্ছি। এই ভাবে জীবনের অনেক বছর পার করি, তারপর জীবন সঙ্গী হিসাবে স্ত্রী নারগিসকে পায়।

নিয়তির পরিবর্তন করতে পারি নাই, এরমধ্যে বোয়ালমারীর পৌরমেয়র মোজাফফর হোসেন বাবলু মিয়ার সাথে পরিচয় হয়।তিনি আমাকে মাস্টার রুলে দৈনিক ১৬০টাকা বেতনে বাজার ঝাড়ুদারের চাকরি দেন এবং বোয়ালমারী হ্যালিপোর্টে সরকারি জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যদের থাকার জন্য আমি ও আমার স্ত্রী আজ বোয়ালমারি পাবলিক টয়লেট থাকার স্থান হয়েছে। দৈনিক বাজার ঝাড়ুর কাজ করার পর মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তাই খাই, আবার কিনেও খাবার খাই অনেক সময় না খেয়ে দিনযাপন করি। যদি সরকারি বা বেসরকারি কোন সংগঠন আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিত তবে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে থাকতাম।অনেকেই আসে খোজখবর নিয়ে যায় কিন্তু আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়না।আমার একশতাংশ জমিও নেই যেখানে একটা ঘর করে বাস করবো।

এব্যাপারে শৌচাগারের পাশের চায়ের দোকানে খোজ নিয়ে যানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বাস করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর