• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
সুনামগঞ্জে নদীতে ডুবে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাটে প্রতিবন্ধী ভাতার চেক আটক রেখে টাকা দাবীর অভিযোগ ইসলামপুরে গ্রামীন জনপদে শহরের ছোঁয়া সন্ধ্যা নামতেই মেঠপথ আলোকিত মাদারীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাড়া গেলেন পুলিশ সদস্য শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার আরো এক আসামী গ্রেফতার মনোহরদীতে দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন এড. হারুনুর রশিদ বকশীগঞ্জে মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার সামির ছাত্তারের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ ইসলামপুরে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ আলফাডাঙ্গায় পুকুরে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু সিরাজদিখানে লকডাউনে দোকান খোলায় ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ

গায়েব হয়ে যাচ্ছে মেঘনায় জব্দ ইলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১ | ১১:২৪ pm
                             
                                 
জব্দ ইলিশ নামে মাত্র বিতরণ করা হচ্ছে। ইনসেটে আটক চালক

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময় অভিযানে কাউকে ইলিশ ধরা, মজুত কিংবা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তাৎক্ষণিক কারাদ- দেন অথবা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেন। এ সময়ে জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় মাদ্রাসা, এতিমখানা, বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র ও বৃদ্ধাশ্রমে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া, কখনও কখনও জব্দ করা মাছে কেরোসিন ঢেলে খাওয়ার ‘অযোগ্য’ করে মাটিতে পুঁতে ফেলারও রেওয়াজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা । কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরে গঠছে এর ভিন্নতা। জেলার মেঘনা নদীতে জব্দ হওয়া ইলিশ মৎস্য কর্মকতা ও সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে গায়েব হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আটককৃতদের মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ জেলার সচেতন মহল।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৩ এপ্রিল শনিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বাসাবাড়ি নামক স্থান থেকে এক ট্রাক (২২ কাটুন) জাটকা ইলিশ জব্দ করে জেলা মৎস্য অফিস। এসময় ট্রাক ও চালককে আটক করা হয়। জব্দকৃত মাছ তাৎক্ষণিক এতিমখানায় কিছু মাছ দিলেও পরবর্তীতে মাছগুলো নিজেরা ভাগভাটোয়ারা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মৎস্য অফিসের বিরুদ্ধে। এছাড়া আটক চালককে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে ৩ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত আটক ট্রাকটি ( ঢাকা মেট্রো-ড ১৪-৭৮৭৪) মৎস্য অফিসার মোঃ বিল্লাল হোসেনের হেফাজতে রয়েছে। তবে তা ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চলছে দরকশাকশি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মা ইলিশ রক্ষায় যখন নদীতে মাছ ধরার ক্ষেত্রে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকে, তখন সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে কিছু অসাধু জেলে নদীতে ইলিশ মাছ ধরে। এসব মাছ সূর্যোদয়ের আগে আগে তারা গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রি করেন। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব মাছ ধরা হয় বলে মোটামুটি কম মূল্যেই বিক্রি করে চলে যান জেলেরা।

এ বিষয়ে জানতে লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিসার মোঃ বিল্লাল হোসেনকে দুই দিন অফিসে গিয়েও পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জব্দকৃত মাছ সকল এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে। আটক চালককে রায়পুর ইউএনও’র সাথে যোগাযোগ করে ছেড়ে দিয়েছি। আটককৃত ট্রাক পরে সিজারলিস্ট করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর