• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

গৌরীপুরে স্কুলের ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ওবায়দুর রহমান, গৌরিপুর, ময়মনসিংহ
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৮:০৩ pm
                             
                                 

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর পি.জে.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। উর্ধ্বমূখী ভবনের নির্মাণ কাজের বিভিন্ন অনিয়ম বন্ধের জন্য গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ঐ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সুমন চৌধুরী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিম্ন মানের ইট, তথ্য অধিকার অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের নেই কোন সাইনবোর্ড, মরিচা পড়া রড বাইন্ডিং দিয়ে, নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার রাতের আঁধারে কাজ সম্পন্ন করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্টান । এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিম্ন মানের ইট, নিম্নমানের ইটের খোয়া ও ইটের রাবিস, নিম্ন মানের বালু বিদ্যমান রয়েছে।

আবার তথ্য অধিকার (তথ্য প্রকাশ ও প্রচার) বিধিমালা ২০১০ (তফসিল ২ এর ক্রমিক ৫) অনুযায়ী সরকারি সকল পূর্ত কাজের জন্য ”প্রকল্প শুরু ও শেষ সীমানায় বা দৃশ্যমান স্থানে প্রকল্প বিস্তারিত (প্রকল্পের নাম/দপ্তর মন্ত্রণালয়/ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান/ যোগাযোগের ঠিকানা/ মোট মূল্য /মেয়াদ/ কার্য্যাদেশ নং) সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানছেনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাফেজ এন্টারপ্রাইজ।

সরেজমিনে গিয়ে পাওয়া যায় বিল্ডিং এর ৩য় তলায় ও ছাদে বালি ও ইটের খোয়া। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকার ফলে ছাদের রডে মরিচা ধরে রয়েছে। এবং দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে নিম্মমানের ইট দিয়ে এমনকি একটি কলামের সাথে অন্য কলামের কোন মিল নেই। এ বিষয়ে রামগোপালপুর পি. জে.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমরা ততটা বুঝিনা, ইঞ্জিনিয়ার আমাদের যেভাবে বলেছেন আমরা চেষ্টা করেছি সেভাবে কাজ করানোর জন্য।

তবে ইটের ভাটাতে ভালো ইট না থাকার কারণে উত্তর পার্শ্বের দেয়ালে নিন্মমানের ইট ব্যাবহার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ন কাজগুলো হয়ে গেছে, এখন সামান্য কিছু কাজ বাকি আছে, অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও রামগোপালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন জনি জানান, এর আগে যখন কোন কাজে অনিয়ম চোখে পরেছে সাথে সাথে তা ঠিক করে করিয়েছি। করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ বন্ধ আছে।

এখন এলাকাবাসী কাজে বাধা প্রদান করেছে শুনেছি। যেভাবে কাজটি ভালভাবে শেষ হয় সেই চেষ্টা করবো। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ইউসুফ আলী জানান, কাজে অনিয়ম হবার কোন সুযোগ নেই। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, মরিচা যুক্ত রড পরিবর্তন করেই ঢালাই দেয়া হবে। আর যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিষয়টি দেখবো। কোন অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না।#

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর