• বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লক্ষ্মীপুরে জেলা পরিষদের কেক কাটা ও আলোচনা সভা মণিরামপুরের সেরা ষাঁড়ের দাম ১৫ লাখ টাকা বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী গৌরীপুর আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ ফুলবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মণিরামপুরে কঠোর লকডাউন: ১৩ দোকানির জরিমানা শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-তল ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি স্বপন পাঁচ হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি, শ্বাসকষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু

গৌরীপুরে ১২ দিনেও জব্দকৃত গাছের মালিকের সন্ধান মিলেনি

ওবায়দুর রহমান, গৌরিপুর, ময়মনসিংহ
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১ | ৬:৪৩ pm
                             
                                 

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের গড়পাড়া গ্রাম থেকে ১১ দিন পূর্বে ২ হ্যান্ডট্রলি ভর্তি রেইন্ট্রি গাছ জব্দ করলেও অদ্যাবধি মালিকের সন্ধান পায়নি থানা পুলিশ। আটকের পর থেকে লক্ষাধিক টাকার গাছ হ্যান্ডট্রলিসহ থানা কম্পাউন্ডে পড়ে আছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, জব্দকৃত গাছের প্রকৃত মালিকের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। কেউ মালিকানা দাবী না করায় ও কোন অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা দায়ের করা যাচ্ছে না। মাদরাসার সীমানায় যিনি জায়গা ও গাছের মালিকানা দাবী করছেন, তার মালিকানার বিষয়টি স্পষ্ট নয়। এ ব্যাপারে আদালতের শরনাপন্ন হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ মার্চ কিল্লা বোকাইনগর ফাজিল মাদ্রাসার সীমানার ভিতর থেকে গাছগুলি কেটে নিয়ে আসার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করে গৌরীপুর থানার পুলিশ। আটকের পর মাদরাসা কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর জন্য প্রথম থেকেই মালিকানা অস্বীকার করে আসলেও গাছ ক্রেতা নাজিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি মাদরাসার সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ এর উপস্থিতিতে প্রিন্সিপাল সায়িদুুল ইসলামের হাতে গাছ ক্রয়ের ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন। অভিযোগের ব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি মাদরাসার সভাপতি ও প্রিন্সিপাল। এ ব্যাপারে গৌরীপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল আলম বলেন, গাছ আটকের পর ঘটনার তদন্তে গেলে মাদরাসার জায়গার দাতা পরিবারের সদস্য ফারুক নামে এক ব্যাক্তি গাছের জায়গার মালিকানা দাবী করে বলেন, তিনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অনুরোধক্রমে গাছগুলো বিক্রি করেছেন।
বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে ফারুক বলেন, গাছগুলো সরাসরি আমি বিক্রি করিনি, মাদরাসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়েছে। ক্রেতার কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি আমাকে দিয়েছেন। এরপূর্বে গাছগুলো কাটার জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমাকে চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ করেছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ বলেন, যেহেতু গাছগুলোর জায়গার মালিকানা নিয়ে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে, সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মেপে সীমানা নির্ধারণের জন্য তাদের বলা হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া না মেনে গাছ বিক্রি হয়ে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ঘটনার বিষয়টি নিয়ে গত ১৬ মার্চ ঢাকা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 15
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর