• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

ঘরের সাথে লাখ টাকার গাভী পাবেন মণিরামপুরের ভূমিহীনরা

আনোয়ার হোসেন, (মনিরামপুর) যশোর
প্রকাশ হয়েছে : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১ | ৭:৪১ pm
                             
                                 

মণিরামপুরে ভূমিহীনদের স্বাবলম্বী করতে ঘরের সাথে এক লাখ টাকার গাভী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে মণিরামপুর উপজেলা পরিষদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথ, পিআইও আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিদ, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, সাংবাদিক ও উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী ঘরপ্রাপ্তদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া খাস জমির দলিল হস্তান্তর করেন।

স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘প্রতিবন্ধী, বিধবা ও কর্মহীন মানুষ মণিরামপুরে ঘর পাচ্ছেন। তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রত্যেককে একলাখ টাকা মূল্যের বিদেশী গাভী এবং গাভী পালনের জন্য ছয় মাসের খাদ্য কিনতে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আমার মন্ত্রনালয় থেকে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে মণিরামপুরে দেড় হাজার পরিবারকে গাভী দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘ঘর’ পাওয়া ২৬২ জন থাকবেন। পরের বছর আরো এক হাজার দুইশ পরিবারের মাঝে এই গাভী দেওয়া হবে।
গাভীপ্রাপ্তরা যেন দুধ বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে না পড়েন সেই জন্য মণিরামপুরে মিল্কভিটা কোম্পানীর একটি কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া দ্রুত মণিরামপুরে ১৭টি ইউনিয়নের দুইতলা মার্কেট করার ঘোষণা দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে হানাদার মুক্ত সোনাল বাংলা গড়ার। তারই নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এরপর জিয়া ও এরশাদ মিলে সেই স্বপ্ন নষ্ট করতে চেয়েছিল; কিন্তু পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বের গুণে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে মণিরামপুরে ২৬২টি ভূমিহীন পরিবারকে সেমি পাকাবাড়ি দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে উপজেলার মাছনা, হাজরাইল, হরিহরনগরের মধুপুর, চাকলা, শিরিলি এবং পৌরএলাকার হাকোবা, তাহেরপুর ও গাংড়ায় ১৯৯টি ঘর নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে। যা আজ (শনিবার) উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ভোজগাতী, মশ্মিমনগর ও পৌর এলাকায় আরো ৬৩টি ঘর নির্মাণ হবে বলে জানিয়েছেন এসিল্যান্ড পলাশ দেবনাথ।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর