• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজের গতি বাড়াতে চউককে নির্দেশ

মোঃ সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০ | ২:২২ pm
                             
                                 

আগামী বর্ষা থেকে চট্টগ্রাম মহানগরী যেন আর না ডুবে, সেজন্য জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও আউটার রিং রোডকেও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের তাগাদা দেওয়া হয়েছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে বন্দরের সাথে সৃষ্ট সংকট সুরাহা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

গত মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। এতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, কমিটির সদস্যবৃন্দ, সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক উপস্থিত সিডিএর কর্মকর্তারা জানান, দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকে মহানগরীর জলাবদ্ধতা প্রকল্পকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এবার নগরীতে জলাবদ্ধতা কম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এর সুফল এবার মিলেছে। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ আরো অনেকদূর অগ্রসর হবে। এতে করে আগামীতে আর নগরীতে জলাবদ্ধতা হবে না। বর্ষার সময় বৃষ্টির পানির জট হয়। পানি নেমে যেতে যতক্ষণ সময় লাগে ওই সময় পর্যন্ত পানি থাকবে। আগামী বর্ষা থেকে নগরী যাতে আর না ডুবে সেই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী প্রকল্পটির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়েও আলোচনা করা হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে অ্যালাইমেন্ট নিয়ে সৃষ্ট সংকটের সুরাহা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। নতুন অ্যালাইনমেন্টে বিপুল অংকের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা এবং এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্ষেত্রে বন্দর কর্তৃপক্ষের যেসব ভূমি নিজেদের দখলে রয়েছে সেগুলো, যেগুলো বন্দর ইজারা দিয়েছে তা নিয়ে দুই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের যে ভূমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যবহৃত হবে সেগুলোর যাতে কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে না হয়, তা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করতে বলা হয়। এক্সপ্রেসওয়ের বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে সল্টগোলা ক্রসিং পর্যন্ত নতুন অ্যালাইমেন্ট নিয়ে দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু করার তাগাদা দেওয়া হয়। তবে এই অংশটির কাজ করার আগে রিং রোড পুরোদমে চালু এবং ফিডার রোডগুলো চালু করতে বলা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নকালে বন্দরকেন্দ্রিক যানজট যাতে না বাড়ে সেদিকে সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সিডিএর চিফ ইঞ্জিনিয়ার কাজী হাসান বিন শামস বলেন, চট্টগ্রামের প্রকল্পগুলো নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 9
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর