• সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ জাককানইবি’র সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গৌরীপুর পৌরসভায় নৌকাকে বিজয়ী করতে বিশাল পথসভা শ্যামনগরে আরাফাত রহমান কোকোর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান শ্যামনগর থানা পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামী আটক মির্জাপুরে আদর্শ যুব পরিষদ’র শীতবস্ত্র বিতরণ বাগেরহাটে মানবাধিকার কমিশনের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দুর্ধর্ষ সাইফুলের দু চোখ নষ্ট ও পা ভেঙে দিয়েছে শরণখোলার অতিষ্ট জনতা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঘাটাইল উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটির পরিচিতি ও শপথ অনুষ্ঠান শ্যামনগর নকিপুর সরকারি এইচসি হাই স্কুলে যেীন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটির সভা

চসিকের আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারে জনবল নিয়োগে আবারো কঠিন প্রক্রিয়া

মোঃ সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১ | ৮:১৫ pm
                             
                                 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ‘আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগার’ বা ‘ফুড সেফটি ল্যাবে’ জনবল নিয়োগের বিষয়টি আবারো জটিল প্রক্রিয়ায় চলে গেছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ল্যাবটির জনবল কাঠামো বিষয়ে একটি সভা হয়েছে। এতে জনবল নিয়োগের বিষয়ে আরো যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে ল্যাবটিতে দ্রুত জনবল নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে একধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ২৮ কোটি ব্যয়ে নগরীর বিবিরহাটে স্থাপিত ল্যবটিতে জনবল নিয়োগ না হওয়ায় মিলছে না ল্যাবটির কার্যকর সুফল। ঠিকভাবে জনবল নিয়োগ না হওয়ায় আধুনিক এ ল্যাবে খাদ্য পরীক্ষার যে সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভোক্তা সাধারন। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সঠিক প্রক্রিয়ায় জনগণ নিয়োগ করে এ ল্যাবের কার্যকারিতা কে সফল করে তোলার দাবি জানিয়েছে ভোক্তা সাধারণ।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগের জন্য জনবল কাঠামোর একটি অর্গানোগ্রাম স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল চসিক। ২০১৬ সালে পাঠানো এ অর্গানোগ্রামে পরিচালকসহ ২৩ পদে ৩৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির অনুমোদন চাওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৪ পদের বিপরীতে ২৪ জনের অনুমোদন দেয় এবং বাকি পদগুলো আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে পূরণের নির্দেশনা দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে সে সভায় বিষয়টি আরো পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, বৈঠকে কিছু কোয়ারি চাওয়া হয়েছে। তার উত্তর অতি শীঘ্রই সিটি কর্পোরেশন লিখিতভাবে জানাবে। লিখিত জানানোর পর অর্থমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের জন্য তারা অপেক্ষা করবে।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, আরবান পাবলিক অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট হেলথ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (ইউপিইএইচএসডিপি) আওতায় এ খাদ্য পরীক্ষাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পে অর্থায়ন করে এডিবি। একই প্রকল্পের অধীন ঢাকায়ও একটি ফুড ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে। ৮ হাজার বর্গফুটের অবকাঠামোগত কাজ শেষে চট্টগ্রামের খাদ্য পরীক্ষাগারটিতে স্থাপন করা হয়েছে ৬টি আধুনিক ল্যাব। এরপর খাদ্যের ভেজাল শনাক্ত ও গুণাগুণ নির্ণয়ে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে ৮২টি যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ল্যাবটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন। ২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল ল্যাবটিতে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছিল চসিক।
ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর ‘মান রক্ষা করা, প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ জনবল নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন ও তার রক্ষণাবেক্ষনের ব্যবস্থা করা’ এই তিন শর্তে পরীক্ষার অনুমোদন দেয়। এর পর থেকে ল্যাবে সিটি করপোরেশনের খাদ্য পরিদর্শকদের মাধ্যমে সংগৃহীত খাদ্যপণ্য ও খাবার পানিসহ বিভিন্ন পানীয় পরীক্ষামূলক টেস্ট করা হচ্ছে। নানা খাদ্য পরীক্ষার যে উপকরণগুলো (যন্ত্রাংশ) এখানে স্থাপিত হয়েছে তা ঢাকা ছাড়া দেশের আর কোথাও নেই। ফলে পরিপূর্ণভাবে চালু হলে ল্যাবটি এই অঞ্চলের খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। যা ২০১৩ সালে প্রণীত এবং ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হওয়া খাদ্য আইন বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন ফুড সেফটির এর কথা চিন্তা করে সরকারের উচিত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর