• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
মাধবপুরে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ ও গাঁজা উদ্ধার করেন বিজিবি মধুপুরে আদিবাসীর ভূমি দখলমুক্তের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গৌরীপুরে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা গৌরীপুরে ৫৭টি ম-পে শারদীয় দুর্গাপূঁজার আয়োজন বোয়ালমারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ১০ ভোমরা বন্দর দিয়ে আরও ৭০ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি ফুলবাড়িয়ায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জ কারিতাসের সামর্থ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সিংগাইরে চেতনা নাশক আতঙ্ক, দুবৃর্ত্তরা দু’পরিবারকে অজ্ঞান করে লুটে নিল ২ লাখ টাকা

আমন চারার সংকট

নওগাঁয় জলাবদ্ধতায় কয়েক হাজার হেক্টর জমি

চম্পক কুমার, নওগাঁ
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২০ | ৭:৪৪ pm
                             
                                 

অতিবর্ষন ও সম্প্রতি হয়ে যাওয়া তিন বারের বন্যার পানিতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। এসব জমিতে চলতি মৌসুমে আমন চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশার ছাপ। উপজেলার প্রতিটি এলাকার কৃষকদের আমন ধানের বীজতলা পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় আমনের চারা উৎপাদন করতে না পারায় উপজেলার অধিকাংশ এলাকার কৃষকরা বর্তমানে আমন ধানের চারা সংকটে ভুগছেন।

জানা যায়, উপজেলার শাহাগোলা, কালিকাপুর, কাশিমপুর, ভোঁপাড়া, জামগ্রাম, মনিয়ারী, নওদুলী, পালশা, চৌথলসহ পূর্ব এলাকার মাঠগুলো আমন চাষের জন্য বিখ্যাত। এসব এলাকার কৃষকরা বোরো ধান ঘরে তোলার পর পরই আমনের বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এলাকা জুড়ে চিনি আতপ, জিরাসাইল, পাইজামসহ বিভিন্ন জাতের আমন ধানের আবাদ করে থাকে। কিন্তু এবারে বোরো ধান কাটা শেষ হতে না হতেই অতি বর্ষণ এবং নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি মাঠে বন্যার পানি ঢুকে মাঠে জলাদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন ধানের চাষ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা যায়, উপজেলার আট ইউনিয়নে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়। এর মধ্যে মনিয়ারী, ভোঁপাড়া ও শাহাগোলা ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমাণ জমিতে আমন চাষ করা হয়। গত বছর আমন চাষের মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ জমিতে চিনি আতপ ধানের চাষ হয়েছিল। এতে করে কৃষকরা ব্যাপক লাভবানও হয়েছিল। এবারে আগাম বন্যার পানি মাঠে চলে আসায় আমনচাষ ব্যহত হতে পারে।

উপজেলার উঁচল কাশিমপুর গ্রামের বেলাল হোসেন বলেন, আমাদের বোরো ধান কেটে শেষ না করতেই মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। মাঠ পানিতে ভরে গেছে, আমন ধানের আবাদ এবারে করা সম্ভব হবে না।

চৌথল গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, আমাদের এলাকার জমিগুলোতে যেমন বোরো চাষ হয়। তেমনি আমন ধানে চাষও ব্যাপক হয়ে থাকে। গতবার আমরা প্রচুর পরিমানে চিনি আতপ ধানের চাষ করেছিলাম। তাতে ফলনও হয়েছিল ভাল। কিন্তু এবারে বীজতলা তৈরি করতেই পারলাম না। কিভাবে আমন চাষ করবো তা নিয়ে হতাশায় রয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, হঠাৎ করে অতি বর্ষণের ফলে মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নদীর পানি কিছুটা কমলে মাঠের পানিও কমে যাবে। আমরা আশা করছি মাঠে পানি নেমে গেলে কৃষকরা পুরোদমে আমনচাষ করতে পারবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
    Share


এই বিভাগের আরো খবর