• মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
শিগগির বাংলাদেশে ‘কোভ্যাক্সিন’র ট্রায়াল চালাতে চায় ভারত সাতক্ষীরায় জুলাই মাসে করোনায় ১৫, উপসর্গে ২০৫ জনের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জ ছিনতাইকৃত মহিষ আক্কেলপুরে উদ্ধার রবিউল এবার পেল সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, সমাজসেবা থেকে পেল আর্থিক সহায়তা বোয়ালমারীতে জেলা পরিষদ বানিজ্যিক ভবনের কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সুন্দরগঞ্জে টিকা সম্প্রসারণে অবহিতকরণ সভা মাধবপুরে কঠোর নজরদারিতে এসিল্যান্ড অভিযানে ১৩টি মামলায় জরিমানা সেই পরিত্যক্ত ঘরেই মারা গেলেন জনপ্রিয় শিক্ষক যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে বর্জ্য, হুমকির মুখে পরিবেশ বকশীগঞ্জে ৩৩৩ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার!

নদী থেকে উঠছে বালি, হুমকিতে ইউপি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

আনোয়ার হোসেন, (মনিরামপুর) যশোর
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৯ জুলাই ২০২১ | ১:১৭ am
                             
                                 

যশোরের মণিরামপুরে কপোতাক্ষ নদ দখল করে বালি উত্তোলণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মশ্মিমনগর ইউপির খাজুরা কাঁঠালতলা এলাকায় গত তিনদিন ধরে একটি চক্র নদী থেকে কয়েক লক্ষ ঘনফুট বালি উত্তোলণ করেছে বলে অভিযোগ। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ, ইউপি ভবন, কাঁঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন, স্থানীয় বাজার মসজিদ, ৫-৭টি বাড়ি ও শ্মশান।

প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কাজ বন্ধ করাতে পারেননি।
অবশেষে খবর পেয়ে রোববার (১৮ জুলাই) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সেখানে হাজির হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
মশ্মিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, খাজুরা কাঁঠালতলা হাইস্কুল মাঠে ১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি একটি স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। এজন্য মাঠের এক একর জমি বালি ফেলে সাত ফুট উচু করতে মেসার্স আশরাফুল ইসলাম নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়। বালি ভরাটের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও অন্যস্থান থেকে না এনে কপোতাক্ষ নদী কেটে বালি তোলা হচ্ছে। একটি ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে গত তিনদিন ধরে কয়েক লক্ষ ঘনফুট বালি তোলা হয়েছে। ফলে নদী তীরবর্তী এক কি.মি. ভেড়িবাঁধ, মশ্মিমনগর ইউপি ভবন, খাজুরা কাঁঠালতলা হাইস্কুলের ভবন, বাজারের মসজিদ, শ্মশান ও ৫-৭ টি বসত বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় যে কোন সময় এসব প্রতিষ্ঠান ধ্বসে যেতে পারে।

চেয়ারম্যান আক্ষেপ করে বলেন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমি কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। কোন ব্যবস্থা নেননি কেউ। অবশেষে রোববার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। তারা চলে যাওয়ার পর আবার বালি তোলা হয়েছে।
আবুল হোসেন বলেন, ওই পক্ষ সঙ্ঘবদ্ধ হচ্ছেন,ঈদের ছুটিতে তারা আরো একটি মেশিন বাড়িয়ে বালি তোলার কাজ শেষ করবেন। এক্ষণি তাদের থামানো না গেলে বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে যাবে।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দেব কুমার বলেন, নদীর তীরে ব্যক্তি মালিকানা জমি থেকে বালি তোলা হচ্ছে। চেয়ারম্যান সহযোগিতা না করায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখের মধ্যে সরকারি স্থাপনা নির্মাণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, চেয়ারম্যান আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি তাকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলতে বলেছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, রোববার দুপুরে প্রতিনিধি পাঠিয়ে নদী থেকে বালি তোলার কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এই বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর