• সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

বাগেরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় মা-ছেলে আহত

আবু হানিফ, বাগেরহাট
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১ | ৮:৪৭ pm
                             
                                 

বাগেরহাটে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় মা-ছেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বড় সন্নাসি গ্রামের সমাদ্দার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আহত মা ছেলেকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আহতরা হলেন, বড় সন্নাসি গ্রামের অমল কৃষ্ণ সমাদ্দারের স্ত্রী মায়া সমাদ্দার (৬০) এবং তার ছেলে লিংকন সমাদ্দার টিপু (৩৫)। আহত মায়া সমাদ্দার বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির অদূরের উত্তর পাড়া বড়সন্নাসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল থেকে পানি নিয়ে আসছিলাম।
আসার প্রতিবেশী ননী সমাদ্দারের বাড়ির শিশুরা রাস্তার মাঝে দাড়িয়ে ছিল। আমি একা একাই বলছিলাম সন্ধ্যার সময় শিশুদের রাস্তার মাঝে দাড়াতে তাদের গায়ে ধাক্কা লাগতে পারে। পরবর্তীতে আমার ছেলে লিংকন সমাদ্দার টিপুও ননীদের বাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানায়।
এর জেরে মঙ্গলবার সকালে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ননীর বাবা পিনাকী সমাদ্দার, ননীর মা আদুরী সামাদ্দার ও ননীর স্ত্রী রুপা সমাদ্দার আমার ছেলে টিপুকে ধরে রাখে এবং ননী আমার ছেলেকে কুড়াল দিয়ে পিটাতে এবং দাও দিয়ে বিভিন্ন স্থানে কোপায় শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার ছেলে পাশের ডোবায় পড়ে গেলে ননী তাকে ডোবার পানিতে চুবাতে শুরু করে। আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে গেলে ওরা আমাকেও মারধর করে।
পরে আমার ছেলেকে মৃত ভেবে তারা ফেলে দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমাকে ও আমার ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত টিপু বলেন, ননী আমার চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয়। আমার পা ও হাতে দাও দিয়ে কোপ দেয়। পরে ডোবায় চুবায়। আমাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। আমি এর বিচার চাই। টিপু ও ননীদের প্রতিবেশী দুলাল সমাদ্দার, তুলসি সমাদ্দার বলেন, ননী ও তার পরিবার একটি অসামাজিক পরিবার। তারা বিভিন্ন সময় এলাকার বিভিন্ন লোককে মারধর করেছেন। তাদের মারধর ও অত্যাচারের কারণে দুটি পরিবার এলাকা ছেড়ে গেছেন। ওরা এখন অন্যায়ভাবে এই পরিবারটির উপর হামলা করল এটা মেনে নেওয়া যায় না। এর আগেও ননী সমাদ্দার সাবেক ব্যাংকার অমল কৃষ্ণ সমাদ্দারকে মারধর করেছে। আমরা এই পরিবারটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর