• বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লক্ষ্মীপুরে জেলা পরিষদের কেক কাটা ও আলোচনা সভা মণিরামপুরের সেরা ষাঁড়ের দাম ১৫ লাখ টাকা বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী গৌরীপুর আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ ফুলবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মণিরামপুরে কঠোর লকডাউন: ১৩ দোকানির জরিমানা শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-তল ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি স্বপন পাঁচ হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি, শ্বাসকষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু

বাগেরহাটে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে খোলা মাঠে হাট-বাজার

আবু হানিফ, বাগেরহাট
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ৭ এপ্রিল ২০২১ | ১২:২২ am
                             
                                 

করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে মানুষের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বাড়াতে বাগেরহাটের জনসমাগম হওয়া বড় বড় হাটবাজারগুলোকে স্থানান্তর করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল)সকাল থেকে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন হাট বাজার সামাজিক দূরত্ব মেনে খোলা মাঠে বসতে শুরু করেছে। দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার অন্যতম বড় হাট খানজাহান আলী দরগার হাটে দেখা যায় নির্দিষ্ট স্থানে কোন ব্যবসায়ীর চটি (দোকান)নেই। বাজারের নির্ধারিত স্থানের পাশে ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে রনবিজয়পুর ফুটবল মাঠের মধ্যে দুইশতাধিক ব্যবসায়ী পন্য নিয়ে বেচা-বিক্রি করছেন।স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও জপ্রতিনিধিরা হাট বাজারগুলো পরিদর্শন করছেন।খোলাবাজারে হাট-বাজার স্থানন্তর হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতা বিক্রেতা ও স্থানীয়দের মাঝে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলার দেড় শতাধিক বড় হাটবাজার খোলা স্থানে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
খানজাহান আলী দরগার হাটে ডিম বিক্রির জন্য খোলা মাঠে বসা রকিবুল ইসলাম বলেন, হাটের মধ্যে আমাদের স্থায়ী তাবু থাকে। সেখানে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতি হাটের দিন আমরা কেনা-বেচা করি। হঠাৎ করে করোনা সংক্রমনের কারণে মাঠের মধ্যে বসতে বলা হয়েছে। রোদের মধ্যে বসে বিক্রি করছি। কষ্ট হলে মানসিক দিক থেকে শান্তি পাচ্ছি। শুনেছি এভাবে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পারলে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ করা যাবে।
সবজি বিক্রেতা আল আমিন বলেণ, সকালে মালামাল নিয়ে এসে শুনি মাঠের মধ্যে দোকান বসাতে হবে।মাঠের মধ্যেই সবকিছু নিয়ে বসে পড়েছি। ক্রেতারাও আসছে। প্রশাসনের নির্দেষনা অনুযায়ী মাস্ক না থাকলে আমরা বিক্রি করছি না। এক বারে শুধু একজনকেই আসার জন্য অনুরোধ করছি।
বাজার করতে আসা সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে আমরা তাকে সাদুবাদ জানাই। রোদের মধ্যে কষ্ট করে কেনা-বেচা করতে হচ্ছে সত্যি, তারপরও হাটে যে প্রচুর ভীড় থাকে এখানে সে ভীড় নেই। যে কেউ ইচ্ছে করলেই ভীড় এড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার প্রয়োজনীয় ক্রয়-বিক্রয় শেষ করতে পারবেন।
বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন বলেন, করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসমাগমের বড় স্থল হাটবাজারগুলোতে যাতে সবাই দুরত্ব মেনে বাজারঘাট করতে পারে সেজন্য একেক হাটের বাস্তবতা বুঝে স্থানান্তর করেছি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সুন্দরভাবে হাটবাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছি।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক বলেন, স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সকল উপজেলার হাট-বাজার গুলোকে খোলা মাঠে স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে বসা বাজারগুলোতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মনিটরিং ও সচেতনা বৃদ্ধির জন্য মাস্ক বিতরন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর