• রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
ঘাটাইলের দেওপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হেপলুর উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ মাগুরায় করোনা প্রতিরোধে এমপি শিখরের অনুদানে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ শ্যামনগরে দুই দিনে করোনা টিকার ২য় ডোজ গ্রহণ করলেন ২১০জন শ্যামনগরে মোবাইলকোটে প্রায় আটহাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান মাদারীপুরে মেজর ও মেরিন অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রতারনার সময় ৩জন আটক করোনায় মাদারীপুরের শিবচরে এক ব্যাক্তির মৃত্যু মণিরামপুরে করোনা নির্দেশনা না মানায় জরিমানা তাহিরপুরে বালু উত্তোলনে বাঁধা দেয়ায় বালু খেকোদের মারপিটে এক ব্যক্তি আহত ‘২০০ টাকার জন্য খুন করেছি’ ঘাতক বন্ধুর স্বীকারোক্তি সাতক্ষীরায় দিন-দুপুরে বন্ধুকে জবাই করে হত্যা

মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় এখনো পথ চেয়ে থাকেন অসহায় বৃদ্ধ পিতা মাতা

বুদ্ধি প্রতিবন্দ্বী টুম্পার সন্ধান মেলেনি দু’বছরেও

শেখ আবু মুছা, সাতক্ষীরা
প্রকাশ হয়েছে : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১ | ৩:৫৮ pm
                             
                                 

তালার জালালপুরের চরকানাইদিয়া এলাকার বুদ্ধি প্রতিবন্দ্বী টুম্পা খাতুন (১৭) গত প্রায় দু’বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সে আর ফেরেনি। টুম্পার পিতা-মাতাসহ স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় ব্যাপক খোঁজাখুজির পরও কোথাও খুঁজে পায়নি তাকে। প্রতিব›দ্বী মেয়ের দুশ্চিন্তায় তার পিতা-মাতা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আসলে টুম্পা কি বেঁচে আছে? নাকি কোথাও গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে? বেঁচে থাকলে তার সন্ধান চেয়েছেন অসহায় পিতা মাজেদ আলী গাজী ও জবেদা বেগম।

মাজেদ আলী জানান, তার মেয়ে টুম্পার উচ্চতা ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি। মুখমন্ডল গোলাকার। গায়ের রং শ্যামলা। নাকে কাটার দাগ রয়েছে। এছাড়া তার ফিটের রোগ আছে। আকষ্মিক মাথা ঘুরে পড়ে ফিট লাগে তার। মেয়েকে ফিরে পেতে সর্বশেষ টুম্পার ছবিসহ নিজের মোবাইল নং দিয়ে প্রচারপত্র ছেড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সাংবাদিকদের কাছে মেয়ের ছবিসহ নিখোঁজ সংবাদ প্রচারেরও আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী জানায়, গত ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মেয়েটি বাড়ির পার্শ্ববর্তী রথখোলা বাজারের জনৈক চায়ের দোকানি বখাটে উজান দাশ স্থানীয় টুম্পার শরীরে কেটলির গরম পানি ছুঁড়ে মারে। এতে তার বুক ও পীঠ মারাতœকভাবে ঝলসে যায়। ঐ ঘটনায় স্থানীয় বিভিন্ন অনলাইনসহ গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে মেয়েকেটিকে দেখতে তার বাড়ীসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, তৎকালীণ ইউএনও সাদিয়া আফরিন ও থানা অফিসার ইনচার্জ মেহেদী রাসেল। এসময় তারা তাকে ৪ হাজার টাকা অনুদান প্রদানসহ তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। ঐসময় টুম্পা সেরে উঠে বাড়িতে ফেরে। তবে এর কিছুদিন পর ১০ নভেম্বর থেকেই নিখোঁজ হয় সে। পিতা মাজেদ, মাতা জবেদাসহ স্বজনরা তার ছবিসহ সন্ধানপ্রাপ্তির প্রচারপত্র ছাপিয়ে এখনও খুঁজে বেড়াচ্ছেন সম্ভাব্য সব জায়গায়।

মা জবেদা বেগম জানান, সাবালিকা বুদ্ধি প্রতিবন্দ্বী মেয়ে তার। কোথায় আছে? কেমন আছে? আদৌ বেঁচে আছে কিনা এমন শঙ্কায় কাঁদতে কাঁদতে চোখ বসে গেছে তার।

টুম্পার পিতা মাজেদ আলী গাজী একজন দরিদ্র দিন-মজুর। একদিন পরের কাজ না করলে দিন চলেনা তাদের। গত দু’বছরে কোন রকম এক পেটা-আধাপেটা খেয়ে পরিশ্রমের সমুদয় অর্থ ব্যয় করেছেন মেয়েটিকে খোঁজার পেছনে। একদিকে মেয়ে হারানোর বিরহ অন্যদিকে বয়সের ভারে যবুথবু অবস্থা তাদের। মৃত্যুর আগে মেয়েটিকে এক নজর দেখে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা।

কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি মেয়েটির সন্ধান পেলে তার পিতা মাজেদ আলীর ০১৭২৭-৪৩০৭৩৩ অথবা ০১৯৪৯-৮৮৬৪৬৩ নম্বর মোবাইলে যোগাযোগের জন্য জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর