• বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

মণিরামপুরে বাড়ছে করোনা বাড়ছে মৃত্যু, চলছে লকডাউন

আনোয়ার হোসেন, (মনিরামপুর) যশোর
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১ | ৮:৪২ pm
                             
                                 

যশোরের মণিরামপুরে দিন দিন করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোরে করোনা আক্রান্ত হয়ে উপজেলার পারখাজুরা গ্রামে আব্দুল মজিদ (৭৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই উপজেলায় ১৬ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯১ জন
বৃহস্পতিবার করোনা সনাক্তরা হলেন, পলাশীর আফসিয়া সিদ্দিকা, হরিদাসকাঠির প্রদীপ বিশ্বাস, জয়পুরের শাহিনুর রহমান, মোবারকপুরের আতাউর রহমান, তেঁতুলিয়ার রাসেল হোসেন, রঘুনাথপুরের মায়া বেগম, আটঘরার তাসলিমা খাতুন, শ্যামনগরের মল্লিকা রানী, নেহালপুরের নাজমুল হুদা, দূর্গাপুরের আমেনা খাতুন, মোহনপুরের হাফিজুর রহমান, গোপালপুরের আবুল কালাম আজাদ, বিজয়রামপুরের অজিফা বেগম ও পারখাজুরা গ্রামের আব্দুল মজিদ।
এছাড়া মঙ্গলবার (২২জুন) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের নজরুল গাজী (৪০) নামে এক দর্জির মৃত্যু হয়েছে। ওই দিন দুপুরে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিল। সোমবার (২১জুন) রাতে মারা গেছেন কামালপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম। আজ (বৃহস্পতিবার) রবিউলের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।
মণিরামপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অনুপ বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডা. বসু বলেন, বৃহস্পতিবার মণিরামপুরে ১৬ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে রবিউল মিস্ত্রি সোমবার জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আর পারখাজুরা গ্রামের আব্দুল মজিদ মারা গেছেন বৃহস্পতিবার সকালে। করোনা পজেটিভ শিউলি বর্মনের বাড়ি যশোর সদরে।
বুধবার (২৩জুন) সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে মণিরামপুরের দূর্গাপুর গ্রামের বেগম রোকেয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়ে। একইদিনে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাঙালিপুর গ্রামের দিনমজুর মতিয়ার রহমান।
এদিকে মণিরামপুরে প্রশাসনের বেধে দেওয়া এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে। লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় বাজারের চার ব্যবসায়ীকে সাড়ে ১০ হাজার টাকা করেছেন ইউএনও সৈয়দ জাকির হাসান।
তারা হলেন, হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম পাঁচ হাজার, টিনের দোকানি দিপক কুমার চার হাজার, আজমির বেকারির ম্যানেজার দীপ্রদীপ কুমার এক হাজার ও মিষ্টির দোকানি রজব আলী ৫০০ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চসহকারী শাহিন আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 160
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর