• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১১:২০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

৩০ কেজি চালের স্থলে দেওয়া হয়েছে ২২-২৩ কেজি

রামগঞ্জে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

উপজেলা সংবাদদাতা
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০ | ৫:১৮ pm
                             
                                 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৬নং লামচর ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজির চালের কার্ড বিতরনে অর্থ আদায় ও ৩০ কেজি চালের স্থলে ২২-২৩ কেজি করে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে ৷ এ নিয়ে ইউনিয়নবাসীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে ৷

সুত্রে জানা যায়, লামচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগন কয়েকজন গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে গত মঙ্গলবার ন্যায্য মুল্যের চালের কার্ড বিতরন করে। এ সময় গ্রাম পুলিশরা রসুলপুর গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে ৫০০ টাকা,কালিকাপুর গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে ১৫০ টাকা,কাশিমনগর গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে ১০০টাকা, দাসপাড়া গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে ৫০০ টাকা, লামচর গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে ১০০ টাকা, মজুপুর গ্রামের কার্ডধারীদের নিকট থেকে থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করে। অপরদিকে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার রেশমা উত্তর ও দক্ষিন দাসপাড়া গ্রামে ৪৬ টি কার্ড পরিবর্তন নামে প্রতি নতুন কার্ডে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন বলে জানা গেছে৷

অপর দিকে পানপাড়া বাজারস্থ চাল ডিলার আক্তার হোসেন প্রতি কার্ধারীদেরকে ৩০ কেজির স্থলে ২২/২৩ কেজি করে চাল দিয়েছে৷ দাসপাড়া গ্রামের তছলিম,করিম, খোরশেদ, মজিবর সহ কয়েকজন বলেন, রেশমা মেম্বার আমাদের কার্ড করে দিবে বলে একবার টাকা নিয়েছে, আবার গ্রাম পুলিশ কার্ড দেওয়ার সময় টাকা নিয়েছে। দুইবারে ২শত থেকে ৫শত টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে৷

ইউপি সদস্য শামসুল ইসলাম বলেন, দাসপাড়া ওয়ার্ডে ১৪টি সহ লামচর ইউনিয়নে ১৫১টি কার্ড পরিবর্তন করে নতুন কার্ড ইস্যু করেছেন৷ কার্ডগুলো কারা কি ভাবে পরিবর্তন করেছে এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা৷

ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার বলেন, সব মেম্বার কার্ড পরিবর্তন করেছে। আমি আমার ওয়ার্ডেও কয়েকটি কার্ড পরিবর্তন করেছি। এ সময় তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়ে এড়িয়ে যান৷

রসুলপুর গ্রামের তাছলিমা আক্তার বই নং-৫১৮, সাইফুল ইসলাম বই নং-৭০৪, সেলিম ভুঁইয়া বই নং-৫২৩ সহ আরো কয়েকজন বলেন, বুধবার পানপাড়া বাজারস্থ ডিলার আমাদেরকে একটি বালতিতে করে ৩০ কেজির স্থলে ২২ কেজি করে চাল দিয়েছে৷

ট্যাক অফিসার ইউসুফ কামাল বলেন, চেয়ারম্যানসহ একটি প্লাষ্টিকের বালতিতে মেপে চাল বিক্রি উদ্ভোধন করা হয়েছে৷ অবিরাম বৃষ্টি থাকায় মৌসুমি ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আশংকায় সরেজমিনে মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিতে চলে আসি৷ তাই পুরো সময় থাকতে পারি নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর