• রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

শরণখোলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা-চরনা-চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ

আবু হানিফ, বাগেরহাট
প্রকাশ হয়েছে : শনিবার, ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৮:১১ pm
                             
                                 

বাগেরহাটের শরণখোলায় পাবলিক লাইব্রেরির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে স্বরচিত কবিতা, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরকে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। ভার্চুয়াল এই প্রতিযোগিতায় ৬০জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে বিজয়ী ২৫জনের হাতে শুক্রবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরষ্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও লাইব্রেরির সভাপতি খাতুনে জান্নাত।
লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান খান, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এম সাইফুল ইসলম খোকন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও রায়েন্দা ইউপির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, আর কে ডি এস বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম হাওলাদার প্রমূখ।
প্রায় ১৫বছর ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা পাবলিক লাইব্রেরিটি পুনরায় সচল করার জন্য উদ্যোক্তাদের জন্যবাদ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত বলেন, শরণখোলার শিক্ষাবিস্তারের একটি মাধ্যম হিসেবে এই পাবলিক লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংগঠনের উন্নয়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা করা হবে।
পাবলিক লাইব্রেরির অন্যতম উদ্যোক্তা সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষক মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহেল জানান, তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিদের তিন গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ক-গ্রুপ, নবম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত খ-গ্রুপ এবং অনার্স-মাষ্টারসহ অন্যান্যদের নিয়ে গ-গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়। বিজয়ীদের ছাড়াও প্রত্যেক অংশগ্রহনকারীকে শান্তনা পুরষ্কার হিসেবে কাঠের কলম উপহার দেওয়া হয়েছে।
শাবিপ্রবির শিক্ষক রিয়াদুল ইসলাম সোহেল বলেন, শিক্ষার দিক থেকে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা উপকূলীয় শরণখোলার এই জনপদের শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে প্রায় দেড় যুগ ধরে বন্ধ থাকা লাইব্রেরিটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সংগঠনের মাধ্যমে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ জ্ঞান আহরণ করতে পারবেন। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় পাবলিক লাইব্রেরিটি একসময় শরণখোলার জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে বলে আশা করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর