• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

শিশু জিদানকে ফের অপহরণের হুমকী, আতঙ্কে পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১ | ৭:৫৫ pm
                             
                                 

অপহরণের পর উদ্ধার হওয়া আট বছরের শিশু জিদান হোসেনকে ফের অপহরণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাওয়া হচ্ছে পূর্বের মুক্তিপণের টাকাও। ওই অপহরণের অভিযোগে কাউকে আটক করা যায়নি। এনিয়ে শিশু জিদানের পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
জিদান লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডস্থ লামচরী এলাকার (পান কাশেমের বাড়ী) প্রবাসী মো: আজাদের ছেলে।

শিশুটির মা জেসমিন আক্তার জানান, গত ১৯ জুন দুপুরে শিশু জিদান দোকান থেকে আচার ক্রয় করতে যায়। পথিমধ্যে সিএনজি যোগে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মুখ চেপে ধরে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে থানায় অভিযোগ দিতে যাওয়ার পথে অপহরণকারীরা মুঠোফোনের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। পরে থানা পুলিশের সহযোগীতায় ২০ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডস্থ তিতাখাঁ মসজিদ এর সামনে থেকে জিদানকে উদ্ধার করা হয়। পরে জিদান থেকে জানতে পারি, তাকে অপহরণকারীরা মারধরও করেছে।

তিনি বলেন, উদ্ধারের ২ দিন পর একটি দেশী নাম্বার ও বিদেশী নাম্বার থেকে পূর্বের মুক্তিপণের টাকা দাবী করে অজ্ঞাত সেই অপহরণকারীরা। এসময় মুক্তিপণের টাকা না দিলে তার শিশু ছেলে জিদানকে আবারও অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ক্ষতি করবে বলে হুমকী দিচ্ছে ওই ব্যক্তিরা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমি সহ পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে দিন পার করতেছি। এসময় আইনশৃঙ্খলাবাহীনির কাছে অপহরণকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবী জানান তিনি।
স্থানীয় কাউন্সিলর মোহাম্মল আলী বলেন, শিশুটি উদ্ধারের পর আবারও মুক্তিপণের টাকার জন্য হুমকী দিচ্ছে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে কথা হয়েছে। শীঘ্রই জড়িতরা আইনের আওতায় আসবে বলে জানিয়ে তারা।

লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জসিম উদ্দিন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অপহৃত শিশু জিদানকে উদ্ধার করে স্থানীয় কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ফের হুমকীর বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বলেন, পুলিশ যেকোন অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। শিশু জিদানকে দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। ফের হুমকীর ঘটনায় অভিযোগ বা জিডি করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ এ কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন


এই বিভাগের আরো খবর