• বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

শেরপুরের গারো পাহাড়ে নতুন উদ্ভিদে সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীর

এ এম আব্দুল ওয়াদুদ, শেরপুর
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০ | ৭:০৩ pm
                             
                                 

এ এম আব্দুল ওয়াদুদ(শেরপুর জেলা প্রতিনিধি) শেরপুর জেলার গারো পাহাড় থেকে নতুন জাতের উদ্ভিদের সন্ধান মিলেছে বলে একদল বিজ্ঞানীদের দাবি। নতুন উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়েছে টাইফোনিয়াম ইলাটাম।

জানা গেছে,দেশের উদ্ভিদ বিজ্ঞানীর একটি দল সারাদেশের সমস্ত বনাঞ্চলে সন্ধান করে গত চার বছরে চারটি নতুন উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছেন। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ২টি ,শেরপুরের গারো পাহাড়ে ১টি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে ১টি। এই চারটি উদ্ভিদই কচুজাতীয়।

এ নিয়ে বিশ্বের উদ্ভিদকুলে চারটি নতুন নাম যোগ করেছে বাংলাদেশ। চার উদ্ভিদ আবিষ্কারে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের সাবেক পরিচালক হোসনে আরা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবুল হাসান। নতুন চারটি উদ্ভিদের পরিচিত : দেশের জাতীয় একটি পত্রিকার রিপোর্টে দেখা যায় , নতুন চার উদ্ভিদের একটির নাম রাখা হয়েছে আলোকেসিয়া হারাগানজেসিস। মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়ার হারাগঞ্জ সংরক্ষিত বনে এটি পাওয়া যায়। তাই ওই বনের নামেই উদ্ভিদটির নামকরণ করা হয়। অবশ্য হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা বনেও এই উদ্ভিদ দেখতে পেয়েছেন গবেষকেরা।

উদ্ভিদটির কয়েকটি চারা ঢাকার চিড়িয়াখানা সড়কে ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের বাগানে রোপণ করা হয়েছিল। কিন্তু বেশি দিন বাঁচেনি। নতুন আবিষ্কৃত দ্বিতীয় উদ্ভিদটির নাম রাখা হয়েছে আলোকাসিয়া সালারখানি। এটিও মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া বনভূমি থেকে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস চর্চা, অর্থাৎ কোন উদ্ভিদ কোন প্রজাতির, তা নির্বাচন করার বিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক মোহাম্মদ সালার খানের নামে এই উদ্ভিদটির নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানী ১৯৯৭ সালে মারা যান। তৃতীয় উদ্ভিদটির নাম রাখা হয়েছে টাইফোনিয়াম ইলাটাম।

এটি সংগ্রহ করা হয়েছে শেরপুর জেলার গারো পাহাড়ের বনভূমি থেকে। বিজ্ঞানীরা চতুর্থ উদ্ভিদটির নাম দিয়েছেন কলোকাসিয়া হাসানী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক আবুল হাসানের নামে এটির নামকরণ করা হয়, যিনি উদ্ভিদটি আবিষ্কারে থাকা গবেষক দলের অন্যতম সদস্য। এটিকে স্থানীয়ভাবে বলা হয়ে থাকে তিতা কচু।

উদ্ভিদটি সংগ্রহ করা হয় বান্দরবান জেলার বনভূমি থেকে। তবে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে এই প্রজাতিটি দেখা গেছে। নতুন আবিষ্কৃত কচুজাতীয় চারটি উদ্ভিদই স্থানীয়ভাবে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর