• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম প্রদান মাগুরায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল পাবনায় বালু তোলার দায়ে ৫ জনের জরিমানা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ঐক্য প্লাটফর্মের সম্মাননা স্মারক প্রদান পাইকগাছায় জলদস্যু রুস্তোম আটক, অস্ত্র গুলি উদ্ধার শুক্রবার থেকে মধুমতি এক্সপ্রেস চলবে ফরিদপুর-ভাঙ্গা রুটে বোয়ালমারীতে মোবাইল চোর চক্রের দলনেতা  গ্রেফতার বাগেরহাটে এপেন্ডিসাইটিস অপারেশনে যুবকের মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন মণিরামপুরে রাস্তার কাজের নামে মেম্বারের অর্থ বাণিজ্য আক্কেলপুরে উপবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় মাদক সেবকদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং

শেখ আবু মুছা, সাতক্ষীরা
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৯:২৫ pm
                             
                                 

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম-বার বলেছেন, বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ার আগেই আপনার সন্তান কে চোখে চোখে রাখুন।বৃহম্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা ভোমরা সড়কে ১৬ জন মাদক সেবীদের ডোপ টেষ্টে মাদক পজিটিভ ধরা পড়ে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে।

ডোপ টেস্ট করে মাদক সেবন শনাক্ত নিয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম-বার তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে রবিবার দুপুরে মাদক বিরোধী অভিযান ও ডোপটেস্টের মাধ্যমে মাদক সেবীদের আটকের বিষয় নিয়ে জেলা বাসীর উদ্যেশ্যে লাইভে এসে এক ব্রিফিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার বলেন,আমাদের কাছে তথ্য আছে কিছু লোক প্রতিদিন সীমান্ত এলাকায় গিয়ে মাদক সেবন করে।পরে আবার শহরে ফিরে আসে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহম্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর সার্কেল ও সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদক সেবী সন্দেহে ৩৮ জন কে আটক করে। পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালে গিয়ে আটককৃৃতদের ডোপ টেস্ট করে ১৬ জন কে মাদক সেবী হিসাবে সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বাকি ২২ জন কে ডোপটেস্টে নেগেটিভ হওয়ায় তাদের কে স্ব-সন্মানে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার বলেন, সাতক্ষীরা জলার খুব ভালোভালো পরিবারের সন্তানরা তাদের মা-বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে অসৎ সঙ্গ ও দুষ্টু বন্ধুরের সাথে মিশে মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়িয়েছে। সন্তান কোথায় যায়? কাদের সাথে মেশে,।অপ্রয়োজনীয় কাজে গভীর রাত পর্যন্ত বাহিরে থাকছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করুন। কারন,যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে পুলিশ আপনার সন্তান কে আটক করে ডোপটেস্ট করে আইনের আওতায় আনতে পারে।তাই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ার আগেই আপনার সন্তান কে সচেতন রাখুন নজদারীতে রাখুন।তাতে আপনার সন্তান/আপনার/ভাই বা আপনার নিকটতম আত্মীয় স্বজন যেনো মাদক সেবন থেকে দুরে থাকে। পুলিশ সুপার বলেন, যে পরিবারে একজন ব্যক্তি মাদক সেবন করে। সেই পরিবারের ভোগান্তীর কোনো শেষ নেই। তিনি বলেন,দেখবেন আপনার বাড়িতে টাকা চুরি হচ্ছে, অলংকার চুরি হচ্ছে বা জমিয়ে রাখা টাকা মিছিং হচ্ছে।

অবিভাবক দের উদ্যেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, যারা মাদক সেবন করে তারা দেখবেন অসময় ঘুমাবে,রাতে দেরি করে বাড়ি আসে।,রাতে দেরি করে ঘুমায়,সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠে। দেখবেন বাড়িতে টাকা নিতে নিতে এক পর্যায়ে যখন বাড়িতে ধরা পড়ে যায়,তখন সে প্রতিবেশির জিনিসপত্র চুরি করতে থাকে।

যখন সে মাদকে তীব্র আসক্ত হয়ে পড়ে তখন দেখবেন সে রাস্তায় চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই করে নেশার টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করতে থাকে।অবিভাবক দের উদ্যেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন,যখন দেখবেন আপনার সন্তান লেখা-পড়ায় অমনোযোগী, লেখা ধুলার প্রতি আগ্রহ কম, আপনার চোখের সামনে চোখ রেখে কথা বলতে পারবেনা, বাথরুমে গিয়ে অতিরিক্ত সময় ধরে গোসল করবে, যেকোনো বিষয়ে মিথ্যা বলে আপনাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করবে, তখন বুঝে নেবেন আপনার সন্তান মাদক সেবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

পুলিশ সুপার তাঁর লাইভ ব্রিফিংয়ে বলেন, আমাদের আধুনিক প্রজন্মকে যদি রক্ষা করতে না পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে আমরা মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে পারবোনা।তিনি বলেন, যে সমস্ত অভিভাবকগণ এখনো মাদক সেবন করছেন তারা ফিরে আসুন এ পথ থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 27
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর