• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করা উচিত শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের বিজ্ঞান বিষয়ক অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা ধর্মপাশায় আওয়ামী লীগের নেতাদের স্মরণে শোক সভা তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে জোয়ারের পানিতে নিচু এলাকা প্লাবিত কেশবপুরে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের গণসংযোগ অব্যাহত শ্যামনগরে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি আটক বিরামপুরে মেয়র প্রার্থীর প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর মধ্যনগরে বিদ্যালয় ও কলেজে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন ত্রিশালে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি মাদানী

সিংগাইরে নামছে বন‍্যার পানি,কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি ৬৯ কোটি টাকা

মোঃ সাইফুল ইসলাম তানভীর, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০ | ৩:০১ pm
                             
                                 

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বন‍্যায় প্লাবিত এলাকা থেকে নামতে শুরু  করেছে পানি। একই সাথে দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যায় কৃষকের  ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও। পানিতে নিমজ্জিত সবজি মাচাসহ জেগে উঠতে শুরু করেছে সকল প্রকার নষ্ট হওয়া ফসলি জমি । তার পরেও পূণরায় আতংক কাজ করছে তাদের মধ্যে । ফলে হতাশা বাড়ছে।

 এদিকে , নতুন করে সবজি এবং অন‍্যান‍্য ফসলের বীজ সংগ্রহ, বীজতলা তৈরি, জমি চাষ, সার ও কীটনাশক ক্রয়ে তাদের যে মোটা অংকের অর্থ প্রয়োজন তা নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন মহাবিপাকে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও  স্থানীয়দের ধারণা  ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি হবে ।একদিকে চলমান মহামারি করোনা অন্যদিকে আকস্মিক বন্যার কবলে ফসল হারিয়ে প্রায় ২০ হাজার কৃষক এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এলাকার কৃষক পরিবারের দুর্ভোগ এখন চরমে। কৃষকরা এখন পর্যন্ত কোন প্রকার সরকারি -বেসরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা পাননি। তাদের ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজন  সরকারের আর্থিক সহযোগিতা ।

 উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে । এ উপজেলাটিতে ১ হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে মাচায় বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করা হয়েছিল। যার মধ্যে ১ হাজার ৬শ হেক্টরই পানিতে তলিয়ে গেছে। ৩শ ৫০ হেক্টর পেঁপে ক্ষেত প্রায় পুরোটাই বন্যা কবলিত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধান ও  ২ হাজার ৭শ হেক্টর রোপা আমনের মধ্যে ২ হজার ৫শ হেক্টর পানিতে নিমজ্জিত । এছাড়া ৮শ হেক্টর পাটের মধ্যে সাড়ে ৩শ হেক্টর জমির পাট চাষিরা কাটতে পেরেছেন। আউশ ধানসহ বিভিন্ন সবজি এবং ফলজ বাগান নষ্ট হয়েছে। অন্যান্য সেক্টরের চেয়ে কৃষি নির্ভর এ অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

 এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ টিপু সুলতান সপন বলেন, কৃষকরা যাতে বন্যা পরবর্তীতে তাদের ক্ষতি পুষিতে নিতে পারেন সেজন্য সরকারি প্রনোদনার পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করা হবে। সেই সাথে তাদেরকে সার্বক্ষনিক পরামর্শ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 27
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর