• বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

তিন কার্যদিবসের প্রতিবেদন ৬ মাসেও আলোর মুখ দেখেনি

সিংগাইরে প্রাথমিকের কেনাকাটায় অনিয়ম

মোঃ সাইফুল ইসলাম তানভীর, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৭:৫১ pm
                             
                                 

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ৯৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপের টাকায় উপকরণ কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন আমলে নিয়ে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। গঠিত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এখনো পর্যন্ত রিপোর্টটি রয়েছে লাল ফিতায় বন্দী। তবে ওই তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সিরাজ-উদ-দৌল্লাহ জানিয়েছেন, স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির স্থলে দু’জন জনপ্রতিনিধিকে অন্তর্ভূক্ত করে ৫ জন করা হয়েছে। আমি ছাড়াও কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন- একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, তালেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রমজান আলী ও জয়মন্টপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ মোঃ শাহাদৎ হোসেন। তদন্ত শেষ হলেও করোনাকালীন লকডাউনের কারণে রিপোর্ট দিতে দেরি হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলেও তিনি জানান। তদন্ত কমিটির সদস্য জয়মন্টপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ মোঃ শাহাদৎ হোসেন জানিয়েছেন, স্লিপের টাকায় উপকরণ কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ বস্তুনিষ্ঠ ।

এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে স্লিপের টাকায় কেনাকাটার পূর্বে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে । এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সে অভিযোগ ধামাচাপা দেয়া হয়। এবার স্লিপের টাকায় কেনাকাটার অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি গেল বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সনে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়া স্লিপের টাকার অনিয়ম তুলে ধরে জনৈক নারী প্রধান শিক্ষিকার স্বামী শিক্ষা অফিসার (অবঃ) মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই অফিসের এটিইও মো. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে সাটুরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাঈনুল ইসলাম গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তদন্ত করেন। সে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদনও জমা হয়নি বলে জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 12
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর