• বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লক্ষ্মীপুরে জেলা পরিষদের কেক কাটা ও আলোচনা সভা মণিরামপুরের সেরা ষাঁড়ের দাম ১৫ লাখ টাকা বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী গৌরীপুর আওয়ামীলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে বাগেরহাটে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ ফুলবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মণিরামপুরে কঠোর লকডাউন: ১৩ দোকানির জরিমানা শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-তল ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি স্বপন পাঁচ হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি, শ্বাসকষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু

সিংগাইরে সূর্যমুখী ফুল চাষে আশার আলো দেখছে চাষীরা

মোঃ সাইফুল ইসলাম তানভীর, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১ | ৫:০৪ pm
                             
                                 

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। চলতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতাধীন এ উপজেলায় প্রণদনা, পুনবার্সন ও অন্যান্য মিলিয়ে সূর্যমুখী ফুল আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হেক্টর জমিতে। গত বছর যা ছিল ২ হেক্টর। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানেই অনেক বেড়েছে সূর্যমুখীর আবাদ। বিভিন্ন হাইব্রীড জাতের সূর্যমুখীতে প্রতি হেক্টর জমিতে বীজ উৎপাদন হবে আড়াই থেকে ৩ মণ ।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, ১৯৮২ সালের দিকে দেশে সূর্যমুখী ফুলের আবাদ শুরু হলেও গত বছর থেকে এ উপজেলায় শীতকালীন ও খরিপ-১ মৌসুমে সূর্যমুখীর আবাদ কৃষকের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সূর্যের মতো দেখতে এ ফুল গাছ যা লম্বায় ৬-৭ ফুট হয়। গাছে ফল হয় প্রায় ১০-১২ ইঞ্চির মতো। চার মাসে এ সূর্যমুখী ফোঁটা হতে বীজ পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত ওই ফুল সূর্যের দিকেই মুখ করে থাকে বলে মুলত এই ফুলের নামকরণ করা হয়েছে সূর্যমুখী। এই ফুলের বীজ হাঁস, মুরগী ও নানা জাতের পাখীর আদর্শ খাবার। অপরদিকে, এ বীজ থেকে উৎপাদন হয় পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ ভোজ্যতেল। গত বছর কৃষকেরা স্বল্প পরিসরে এর আবাদ করে লাভবান হওয়ায় কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এ বছর ছড়িয়ে পড়েছে সূর্যমুখীর আবাদ। সূর্যমুখী তেলে কোলস্টরেলের মাত্রা কম থাকায় এ ভোজ্যতেলের চাহিদা বেশী এবং হার্টের রোগীদের জন্য উপকারী। এ ছাড়া এ তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি। এসব বিবেচনায় ও সূর্যমুখী তেলের কদর বাড়ছে।

উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের কমলনগর গ্রামের কৃষক নৃপেন চন্দ্র রায়(৬৫) বলেন , তিনি গত বছর জমির আইলে স্বল্প পরিসরে সূর্যমুখীর আবাদ করেছিলেন। লাভজনক হওয়ায় এবার তিনি ৩ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। তিনি জানান, কার্ত্তিক মাসে বীজ বপন করতে পারলে গাছ ভালো হতো এবং ফলনও বেশী হতো। আমরা অগ্রহায়ন মাসে শুরু করেছি তার পরও বিঘা প্রতি ৮-১০ মণ বীজ আশা করছি। প্রতি মণ বীজ ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবো। সূর্যমুখী চাষে রোগ বালাই কম হয় এবং সরিষার চাইতে এটা ফলন ভালো হয়।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ টিপু সুলতান সপন বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব ফলোআপ প্রদর্শনীর আওতায় ৩৩ শতাংশ করে ৪০ টি প্রদর্শনী প্লটে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। প্রায় ৪০ বছর আগে দেশে সূর্যমুখীর আবাদ শুরু হলেও গত বছর থেকে এ এলাকায় কৃষক পর্যায়ে বানিজ্যিকভাবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সূর্যমুখী ফুলের আবাদ। তিনি আরো বলেন, এটা একটা তেল জাতীয় ফসল। এর গুণগতমান উৎকৃষ্ট হওয়ায় সম্প্রসারণে জোর চেষ্টা চলছে। এতে কৃষকেরা ও বেশ আগ্রহী হয়ে উঠছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 17
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর