• রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

সুন্দরগঞ্জে বসতবাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর-লুটপাট

আক্তারবানু ইতি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ হয়েছে : রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০ | ৭:২২ pm
                             
                                 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের শান্তিরাম গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিন খন্দকারের ছেলে নুরে আলম খন্দকারের বসতবাড়িতে গভীর রাতে বে-পরোয়া হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিনগত গভীর রাতে নুরে আলমের ভাই আইবুল খন্দকার ভাড়াটে দলবল নিয়ে নুরে আলমের বসতবাড়িতে এ হামলা চালায়। এতে পরিবারের সবাইকে ব্যাপক মারপিট করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এরপর ঘরে থাকা সুইটকেস, মোবাইল ফোন, সুইটকেসে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালের ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। দুর্বৃত্তদের বে-পরোয়া হামলায় মারপিট, ভাংচুর ও লুটপাটের সময় আহত হয়েছেন নুরে-আলমসহ পরিবারের নারী ও শিশু মিলে অন্তত: ১০জন।

এসময় আইবুল খন্দকারের ভাড়াটে বাহিনীর সদস্য মঞ্জু মিয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয় স্থানীয়রা। মঞ্জু মিয়া উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামের মৃত জহির উদ্দিন ওরফে জহির দালালের ছেলে।

খবর পেয়ে পুলিশ মঞ্জু মিয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়েছে বলে নুরে আলম খন্দকার ও তার ভাতিজা রুহুল হান্নান রুজা খন্দকার জানান। তবে নেতৃত্বদানকারী ঐ পুলিশের নাম বলতে পারেননি।

এব্যাপারে কয়েক দফা মোবাইল ফোনে কথা হলে আইবুল খন্দকার জানান, তার পক্ষের ৫জনকে নুরে আলমের লোকজন মারপিট করে আহত করেছে। আহতদের মধ্যে ৪জনকে গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রুজা খন্দকারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বেশ ক’টি মামলা চলে আসছে।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষথেকে নুরে আলম খন্দকার, রুজা খন্দকার জানান, আইবুল খন্দকার, বড় ভাই হায়দার আলী খন্দকার ও পুলিশে চাকরিরত সাহাবুল খন্দকারের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে হামলা চালিয়ে জমি-জমা জবরদখল, মারপিট, ডাঙ্গা-হাঙ্গামা করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মিথ্যা মামলায় হয়রাণি করে আসছে। আইবুল খন্দকারের রোষানলে পরিবারের বেশ কয়েকজনকে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে।

এছাড়া, মামলা-মোকদ্দমার ভয়ভীতি প্রাণ ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্রে রাত যাপন করতে হচ্ছে পরিবার ২/৩জনকে। তারা জানান, ২ ডজনেরও বেশি সংখ্যাক মামলায় তাদেরকে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে বিপর্যয় নিয়ে এসেছে শান্তিরাম ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামিউল ইসলাম জানান, সকালে (রবিবার সকালে) ঘটনাস্থলে গিয়ে লোকমুখে শুনতে পেয়েছি রাত সাড়ে ১২ টার পরে নুরে আলম খন্দকারের বসতবাড়িতে হামলা, মারপিট, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 12
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর