• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

সুন্দরগঞ্জে ভ্রান্ত অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের দাবি আ’লীগ নেতার

আক্তারবানু ইতি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২:৪৩ am
                             
                                 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও উক্ত ইউপি’র সাবেক সদস্য শাহিবুল আলম মন্ডল শাহীনকে জড়িয়ে একটি কু-চক্রি মহলের ভ্রান্তকর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহিবুল আলম মন্ডল শাহীনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি কু-চক্রি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। এরই এক পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এক ভ্রান্তকর অভিযোগ উত্থাপন করছে মহলটি। এছাড়া, সম্প্রতি তাঁর মোটরসাইকেলে মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে তারা। শাহিবুল আলম মন্ডল শাহীন আরোও জানান, রাজনৈতিক ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ব্যাপারে প্রতিপক্ষ বা কু-চক্রি মহলটি দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে তাঁর ক্ষতি, হয়রাণিসহ সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। উক্ত মহলটির নানান প্রকারের অসামাজিক কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, জুয়া, মাদক, বিদুৎ সংযোগ, ত্রাণ বিষয়ে নানাভাবে ব্যাপক ঘাপলাবাজী ও প্রতারণার বিরোধীতা করায় তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা ও ভ্রান্তকর অভিযোগ করছে। তিনি (শাহীন মন্ডল) এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, গরু চুরি বিষয়ে একাধিক সালিশে তিনি সম্মানিত স্থানে ছিলেন। মর্মে তারই নেতৃত্বে সালিশ বোর্ড গঠন অতঃপর স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করে দেয়ায় সালিশ নামা প্রস্তুতির জন্য উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ উভয়পক্ষের গরুর মালিক ও চোর পক্ষের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়।

সালিশকারী হিসেবে উক্ত বোর্ডের সদস্যগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়। প্রথম একটি পৃষ্ঠায় সেখানে সালিশকারীদের মধ্যে তিনি (শাহীন মন্ডল) ছিলেন বলে স্বাক্ষর প্রদান করেন। অথচ, তিনিসহ সালিশে গঠিত বোর্ডের অন্যান্য সদস্য ও গরুর মালিক ও চোর পক্ষের স্বাক্ষর সম্বলিত পৃষ্ঠা ও সালিশের বিষয় উল্লেখিত পৃষ্ঠা ব্যবহার না করে অন্যান্য পৃষ্ঠায় সুধিজনের উপস্থিতির স্বাক্ষরগুলো ব্যবহার করে এসব দপ্তরে অভিযোগ করেন প্রকৃত চুরি, চাঁদাবাজি, জুয়া, মাদক, ত্রাণ ও বিদুৎ সংযোগ নিয়ে প্রতারক চক্র।

এ ব্যাপারে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোবাইল ফোনে (০১৭১৮-৭১৮৫৪৯) কথা হলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও তাজেদার আলম ফারুকী জানান, থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত নং-১৩, জিআর ১১০/২০ নম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। যথারীতি মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

উক্ত মামলা ও তদন্ত কার্যক্রমে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শাহিবুল ইসলাম ও বেলাল উদ্দিনের নাম পিসিপিআরে উল্লেখ রয়েছে-ঠিক। কিন্তু, ঐ মামলায় গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামী মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হাবিবুর রহমান ওরফে বাবু মন্ডল নামে আরেকজনের নাম ঠিকানা পাওয়া গেছে। ধৃত মাদককারবারির জবানবন্দি ও মামলায় কোনভাবে শাহীন ও বেলাল নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। মর্মে পিসিপিআরে কিভাবে এ ২ ব্যক্তির নাম উল্লেখ হয়েছে তা জানা নেই। তাদের নাম বাদ দেয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও পুলিশের হেড কোয়ারর্টারে আবেদন করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘হয়তো শাহীবুল ও বেলালের প্রতিপক্ষ অনলাইন হ্যাক করে বা বিশেষ কারসাজিমূলক পিসিপিআরে এ নাম ২টি অন্তুভূক্ত করেছেন। সে ব্যাপারেও তদন্ত চলছে’।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 28
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর