• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

সুন্দরগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ

আক্তারবানু ইতি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ হয়েছে : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০ | ৮:০৯ pm
                             
                                 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাহাবাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, বিজ্ঞ আদালতের প্রদত্ত রায় ও সংশ্লিষ্ট আদেশ উপেক্ষা করে নিজের ভাগ্নে লিটন মিয়াকে নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে ১ একর ৪১শতক জমি জোরপূর্বক ভোগদখল করছেন। সর্বানন্দ ইউনিয়নের কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের মৃত অছিম উদ্দিনের পুত্র মন্টু মিয়া মাষ্টার, তার ভাই মোখলেছুর রহমান ও শাহ-আলমকে সঙ্গে নিয়ে বোন লিলি বেগমের নিজ নামীয় বিভিন্ন দাগের উক্ত পরিমাণের জমি ভোগদখল করায় আদালতে মামলা হয়।

জমির দখল পেতে লিলি বেগম ও তার স্বামী রহিম উদ্দিনের দায়েরকৃত মামলায় দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে বিজ্ঞ আদালত বাদী লিলি বেগমের পক্ষে উক্ত জমির মালিকানা স্বত্বে রায় প্রদান করেন। এরই মধ্যে লিলি বেগম ও তার স্বামী রহিম উদ্দিন মারা গেলে রহিম উদ্দিন-লিলি বেগম দম্পত্তির এক ছেলে লিটন মিয়া ও মেয়ে (নাবালক) স্বত্ববান হলেও প্রভাবশালী মন্টু মাষ্টারগং তাদের ভাগ্নে লিটন মিয়া ও ভাগ্নিকে জমির দখল ছেড়ে দেননি। ফলে সংশ্লিষ্ট আইনী প্রক্রিয়ায় জেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঢোল-সহরত মোতাবেক আইনগত নির্দেশ জারি করেন। এতে মন্টু মিয়াগং আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। আইনগত আদেশ জারির পর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টগণ চলে যাবার পর ভূমিদস্যুতা তা-ব চালিয়ে জারিকৃত আদেশ গুড়িয়ে দিয়ে পুণরায় ঐ জমি জবর দখল করে নেন মন্টু মিয়া ও তার ভাইয়েরা।

নানান ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে লিটন মিয়া ও তার একমাত্র ছোট বোনকে তাদের মায়ের মালিকানা স্বত্বে প্রাপ্ত (মালিকানা) ঐ জমির দখল ছেড়ে না দেয়ায় লিটন মিয়া বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। এরপর লিটন মিয়ার এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৎকালীণ থানা অফিসার ইনচার্জ উভয় পক্ষকে (বাদী-বিবাদীকে) একখানা নোটীশ প্রদান করেছেন (জিডি নং-১০৩৫, তাং- ২২-১২-২০১৯ইং)। অসহায় লিটন মিয়া জানায়, বৈধ, নির্ভেজাল ও স্বত্ববান তার মায়ের সম্পত্তিতে মামা মন্টু মাষ্টারগং ভূমিদস্যু তা-ব খাটিয়ে অবৈধভাবে জবরদখল করায় প্রতি বছর ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। বহু ফসলী শ্রেণীর এ জমি থেকে ফসল বাবদ ক্ষতি ছাড়াও মামলা সংক্রান্ত ব্যয় করতে হচ্ছে মামাদের জন্য।

এব্যাপারে মন্টু মিয়া মাষ্টারের সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথা বলার চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে, মোবাইল ফোণে কথা হয় মাষ্টারের ভাই নান্নু মিয়ার (মোখলেছুর রহমানের) সঙ্গে। তিনি বলেন, লিলি বেগমের জমি কি অবস্থায় আছে। তা লিটনে জানে। আমি ঐ জমিতে যাইনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 5
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর