• মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১২:২৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের একমাস

স্বপ্নের ঠিকানায় ঠাঁই হয়নি মণিরামপুরের ২৬২ ভূমিহীনের

আনোয়ার হোসেন, (মনিরামপুর) যশোর
প্রকাশ হয়েছে : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮:০৬ pm
                             
                                 

সারা দেশের সাথে একযোগে গত ২৩ জানুয়ারি যশোরের মণিরামপুরের ভূমিহীনদের ২৬২টি ঘর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উচ্ছাস আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে অন্য এলাকার ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানায় ঠাঁই হলেও মণিরামপুরে ঘটেছে ব্যতিক্রম। উদ্বোধনের একমাস পার হলেও স্বপ্নের ঘরে উঠতে পারেননি এখানকার ভূমিহীনরা। কবে তারা খুপরি বা অন্যের আশ্রয় ছেড়ে নতুন ঠিকানায় যেতে পারবেন তাও জানেননা কেউ। নির্ধারিত সময় জানাতে পারেননি উপজেলা প্রশাসনও।
সরেজমিন উপজেলার মাচনা ও হাকোবা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হাকোবা এলাকার ১৬টি ঘরের মধ্যে কয়েকটির চাউনির কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্লাস্টারের কাজ বাকি রয়েছে মেঝেসহ ঘরের ভিতর বাইরের। টয়লেট স্থাপনের কাজ শুরু হয়নি। আর মাচনা এলাকার ৬১টি ঘরের মধ্যে ৮টির চুনকাম শেষ হয়েছে। ৫টি ঘরের গাঁথনি শুরু হয়েছে। বাকিগুলোর প্লাস্টারের কাজ শেষ হয়েছে; চুনকাম বাকি।
এছাড়া উপজেলার তাহেরপুর, মধুপুর, চাকলা, শিরিলি ও হাজরাইলসহ অন্য এলাকার ঘরগুলোর কোনটি এখনো উঠার উপযোগী হয়নি। একলাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে সংযুক্ত টয়লেট, রান্নাঘর ও বারান্দাসহ দুই কক্ষের সেমিপাকা রঙিন ২৬২টি ঘরের কাজ চলছে মণিরামপুরে।
মাচনায় একটি ঘর পেয়েছেন বেগমপুর গ্রামের পলি খাতুন নামে স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারী। তিনি বলেন, ঘরতো পাইছি অনেক আগে। কবে উঠতি পারব জানিনে। ছেলে মেয়ে নিয়ে ভাড়াবাড়ি থাকছি। অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চলে।
এদিকে জুলাইয়ের মধ্যে সারাদেশে নতুন আরো একলাখ ঘর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই ক্ষেত্রে আয়তন ও জনসংখ্যা হিসেবে মণিরামপুরে আরো তিনশ’ ঘর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো দ্বিতীয় ধাপের ঘর বরাদ্দ আসেনি বলে জানা গেছে।
ভূমিহীনদের নির্মাণাধীন ঘরগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বায়েজিদ বলেন, ঘরের কাজ শেষের দিকে। প্লাস্টারের কাজ শেষ হয়েছে। প্লাস্টার শুকিয়ে গেলে রঙের কাজ হবে। আগামী ১৭ মার্চ ঘর হস্তান্তর হতে পারে।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ঘরের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। হস্তান্তরের দিনক্ষণ ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। আমরা দ্রুত হস্তান্তরের চেষ্টা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 4
    Shares


এই বিভাগের আরো খবর